প্রকাশ: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৯:৩০ পিএম

আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধন করা হবে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’, যা দেশের ১৬ বছরের শাসনকাল ও ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণ করবে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাদুঘর নির্মাণ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অক্টোবরের মধ্যেই নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে।
জাদুঘরে ‘পিলখানা হত্যাকাণ্ড, গুম-খুন-আয়নাঘর, শাপলা হত্যাকাণ্ড ও ভোট ডাকাতিসহ’ শেখ হাসিনার শাসনের নৃশংসতা ও দুঃশাসনের চিত্র প্রদর্শিত হবে।
জাদুঘরের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস জানান, গণভবনের দেওয়ালে থাকা প্রতিবাদী স্লোগান এবং জনরোষের চিহ্নগুলোকে জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হবে। এটি দর্শনার্থীদের জন্য জীবন্ত শিক্ষার ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করবে, যাতে তারা ১৬ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিরোধ ও সংগ্রামের চিত্র উপলব্ধি করতে পারে।
জাদুঘরের কিউরেটর তানজীম ওয়াহাব বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও গুম বিষয়ক তদন্ত কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে জাদুঘরের প্রদর্শনী নির্মাণ করা হচ্ছে। এখানে শাসনের নৃশংসতার অডিওর পাশাপাশি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হবে, যাতে দর্শকরা শাসনকালের বাস্তব চিত্র জানতে পারে।
এছাড়া, জাদুঘরে একটি প্রদর্শনী কেন্দ্র থাকবে, যেখানে জুলাই অভ্যুত্থান এবং ১৬ বছরের শাসনকাল সংক্রান্ত তথ্য ও চিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে। সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী জানান, শাসনকালে গুম-খুনের ঘটনা ও মিথ্যা সান্ত্বনার চিত্রও প্রদর্শিত হবে।
উদ্বোধনী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর, গুম তদন্ত কমিশনের সদস্য, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা এবং জাদুঘরের গবেষক ও শিল্পীরা। তারা প্রত্যেকেই জাদুঘরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও ইতিহাস সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ