প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৬:৩৮ পিএম

চট্টগ্রাম বন্দরে বিভিন্ন সেবা খাতে ট্যারিফ বা মাশুল বাড়িয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে এই প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়, যা সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হয়েছে। এই ট্যারিফ বৃদ্ধিতে ভোক্তাদের ওপর চাপ বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
মোট ৫২টি খাতের মধ্যে ২৩টি খাতে সরাসরি বর্ধিত হারে মাশুল আদায়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বন্দরে আদায়যোগ্য ভাড়া, টোল, রেইল, ফি ও অন্যান্য মাশুলের নতুন তফসিল কার্যকর হয়েছে। মাশুল নির্ধারণের ক্ষেত্রে ডলারের বিনিময়মূল্য ১২২ টাকা ধরা হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি মাশুল বেড়েছে কনটেইনার পরিবহন খাতে। প্রতিটি ২০ ফুট লম্বা কনটেইনারের মাশুল ১১,৮৪৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬,২৪৩ টাকা করা হয়েছে, যা গড়ে ৩৭ শতাংশ বৃদ্ধি। আমদানি কনটেইনারের জন্য ৫,৭২০ টাকা ও রপ্তানি কনটেইনারের জন্য ৩,০৪৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। কনটেইনার প্রতি কেজি পণ্যের মাশুলও ১.২৮ টাকা থেকে ১.৭৫ টাকা করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট খায়রুল আলম সুজন বলেন, ‘এসময় ৪১ শতাংশ হারে ট্যারিফ বাড়ানো ঠিক হয়নি। সহনীয় পরিমাণ ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হওয়া উচিত ছিল। এতে ভোক্তাদের ওপর চাপ বাড়বে।’
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন, ‘সেবা খাতের ওপর ভিত্তি করে ট্যারিফ ৩৫ থেকে ৪১ শতাংশ বেড়েছে। সফটওয়্যার ও সিস্টেম আপডেট শেষে পুরোপুরি নতুন ট্যারিফ কার্যকর হবে।’ দেশের আমদানি-রপ্তানিকেন্দ্রিক সমুদ্র বাণিজ্যের ৯২ শতাংশ এবং কনটেইনার ও পণ্য পরিবহনের ৯৮ শতাংশই চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ