প্রকাশ: শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১১:৫৮ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বড় ধরনের চমক দেখিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট। ২৮টি কেন্দ্রীয় পদের মধ্যে ২৩টিতে জয় পেয়ে তারা কার্যত একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে। এর মধ্যে ভিপি ও জিএস পদে তাদের প্রার্থীদের জয় নিয়েই এখন আলোচনা সবচেয়ে বেশি।
সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে মো. আবু সাদিক কায়েম ১৪ হাজার ৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০৮ ভোট। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে নির্বাচিত হয়েছেন এস এম ফরহাদ।
নির্বাচিত ভিপি ও জিএস কোনো মাসিক বেতন বা নিয়মিত সম্মানী পান না। তবে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সংস্থা সিনেটের সদস্য হন। এর মাধ্যমে হাজারো শিক্ষার্থীর প্রতিনিধি হিসেবে সিনেটে বক্তব্য রাখার সুযোগ মেলে তাদের।
সেখানে তারা শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরতে পারেন এবং স্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করার সুযোগ পান। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায়ও সম্পৃক্ত থাকেন তারা।
ভিপি ও জিএসের জন্য ডাকসুতে আলাদা কক্ষ বরাদ্দ থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনসহ বড় বড় কর্মসূচি কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে আয়োজিত বৈঠকেও তারা ডাকসুর পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন।
অর্থনৈতিক সুবিধার দিক থেকে ভিপি ও জিএসের জন্য আলাদা মাসিক ভাতা নেই। তবে সিনেটের বৈঠকে অংশ নিলে একটি নির্দিষ্ট সম্মানী পাওয়া যায়।
এ ছাড়া ডাকসুর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এককালীন অর্থ বরাদ্দ থাকে। ভিপির জন্য ৫ লাখ টাকা ও জিএসের জন্য ৫ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা দেওয়া হয়। এই অর্থ মূলত চা-নাস্তা, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের সহায়তায় ব্যয় করা হয়।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ