প্রকাশ: শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৩:৪২ পিএম আপডেট: ১২.০৯.২০২৫ ৪:৩৯ PM

কামরান সিদ্দিক
যেকোনো নির্বাচনের অনানুষ্ঠানিক ফল আগেই জানা যায়। এবং নানাভাবে সেই ফল প্রকাশও হয়ে যায়। জাকসুর একজন নির্বাচন কমিশনার এটাকে অস্বাভাবিক বলাটাই অস্বাভাবিক। তিনি জাহাঙ্গীরনগর এর জাতীয়তাবাদী প্যানেলের একজন গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষক। আমি গতকাল বলেছি, জাকসু নির্বাচনে যতটুকু অব্যবস্থাপনা হয়েছে, সেটা মূলত বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের ক্ষমতার দ্বন্দ্বের কারণে।
এর মধ্যে যারা নির্বাচন কমিশনসহ অন্যান্য প্রশাসনিক দায়িত্বে ছিলেন, তাদের একটি অংশ সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেননি। অনেক কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই তারা নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। মূলত ভিসি পদকে ঘিরে তাদের এই দ্বন্দ্ব। এজন্য নতুন ভিসি পাওয়ার প্রেক্ষাপট তৈরির চেষ্টা করছেন কেউ কেউ।
গতকাল তিনজন শিক্ষক দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়া ছিল সে প্রক্রিয়ার অংশ এবং নির্বাচন কমিশনে থেকে যারা দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা বলছেন, তারাও নিজেদেরকে সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তুলে ধরছেন। তবে এসব অপচেষ্টা বেকফায়ার করতে পারে। যারা ক্ষমতার লোভ করছেন, তারা আম-ছালা দুটোই হারাতে পারেন। জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশে সবকিছু আর পুরনো ধাঁচে চলবে না। শহীদের রক্ত মাড়িয়ে যে পরিবর্তন এসেছে, সস্তা ক্ষমতার লোভ করলে সুফল ঘরে তোলা যাবে না।
লেখক: গণমাধ্যম কর্মী
(লেখকের ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত)