প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৪:৫১ পিএম

সংগৃহীত ছবি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী শেখ সাদী হাসান অভিযোগ করেছেন, জামায়াতে ইসলামীর মালিকানাধীন একটি কোম্পানি থেকে কেনা ব্যালট পেপার ব্যবহার করা হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাওলানা ভাসানী হলে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ তোলেন।
শেখ সাদী হাসান বলেন, নিয়মিত ক্রয় প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে নির্বাচন কমিশন জামায়াতের একটি কোম্পানি থেকে ব্যালট পেপার ও ওএমআর মেশিন সংগ্রহ করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, ছাত্রশিবিরকে বিজয়ী করার নীলনকশার অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের চাপের মুখে নির্বাচন কমিশন ওএমআর মেশিনে ভোট গণনার সিদ্ধান্ত বাতিল করে ম্যানুয়াল গণনার ঘোষণা দেয়। তবে একই কোম্পানির সরবরাহ করা ব্যালট পেপার দিয়েই ভোটগ্রহণ চালানো হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, শিবির আলাদা করে ওই কোম্পানি থেকে ব্যালট সংগ্রহ করে কারচুপির মাধ্যমে জয়লাভের পরিকল্পনা করছে। এ কারণে নতুন ব্যালট পেপারের দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি, কিন্তু নির্বাচন কমিশন তা প্রত্যাখ্যান করেছে। এ অবস্থাকে পক্ষপাতমূলক উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনের প্রতি তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানান শেখ সাদী।
শেখ সাদী বলেন, ক্যাম্পাসের আশপাশে জামায়াত-শিবিরের বহু নেতাকর্মীর অবস্থান সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা বজায় রাখবে এবং কোনো প্রকার নীলনকশা বাস্তবায়নের চেষ্টা করবে না।
উল্লেখ্য, আজ সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি হলে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১১ হাজার ৭৪৭ জন। বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৭৮ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ভিপি পদে ৯ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৯ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ৬ জন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০ জন।
ভোটগ্রহণ চলছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি হলের ২২৪টি বুথে। প্রতিটি কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছেন একজন রিটার্নিং কর্মকর্তা, ৬৭ জন পোলিং কর্মকর্তা ও ৬৭ জন সহকারী পোলিং কর্মকর্তা।
স্বদেশ প্রতিদিন/ এমএএম