প্রকাশ: সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:২৭ পিএম

সংগৃহীত ছবি
সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির পর নেপালজুড়ে বিক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করেছে। এ আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাঠমান্ডুতে সেনা মোতায়েনের পাশাপাশি জারি করা হয়েছে কারফিউ।
গত বৃহস্পতিবার নেপালের যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ঘোষণা দেয়, ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করা হবে, কারণ তারা সরকারের কাছে নিবন্ধিত নয়। এর আগে ২৮ আগস্ট থেকে এক সপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল, যাতে প্ল্যাটফর্মগুলো সরকারিভাবে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে।
কিন্তু মেটা (ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ), আলফাবেট (ইউটিউব), এক্স, রেডিট ও লিংকডইন সময়মতো আবেদন না করায় তাদের সেবায় নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। অন্যদিকে টিকটক, ভাইবার, উইটক, নিমবাজ ও পোপো লাইভ ইতোমধ্যে নেপাল সরকারের কাছে নিবন্ধিত হওয়ায় এগুলো সচল রয়েছে। টেলিগ্রাম ও গ্লোবাল ডায়েরির নিবন্ধন প্রক্রিয়া চলমান।
কাঠমান্ডু পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, নেপালে প্রায় ১ কোটি ৩৫ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারী ও ৩৬ লাখ ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী আছেন। অনেকেই এসব প্ল্যাটফর্মকে জীবিকার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেন। ফলে নিষেধাজ্ঞা সরাসরি প্রভাব ফেলেছে লাখো মানুষের জীবনে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদ থেকে শুরু হলেও, আন্দোলন এখন দুর্নীতিবিরোধী গণআন্দোলনের রূপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।
সূত্র: এনডিটিভি