প্রকাশ: শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৯:০৬ AM

সংগৃহীত ছবি
লুইস সুয়ারেজ আবারও শাস্তির মুখে। গত ৩১ আগস্ট লিগস কাপের ফাইনালে সিয়াটল সাউন্ডার্সের কাছে ইন্টার মায়ামির হারের পর প্রতিপক্ষের এক স্টাফের দিকে থুতু ছোড়ার ঘটনায় উরুগুইয়ান তারকাকে ছয় ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ।
চলতি মৌসুমে লিগস কাপে আর কোনো ম্যাচ নেই, তাই এই শাস্তি কার্যকর হবে পরবর্তী আসরে। এর মধ্যে তিন ম্যাচ গ্রুপপর্বে এবং বাকি তিনটি নকআউট পর্বে ভোগ করতে হবে সুয়ারেজকে। অর্থাৎ মায়ামি আবারও ফাইনালে উঠলেই কেবল তাকে পাওয়া যাবে। তবে এই নিষেধাজ্ঞা এমএলএস বা অন্য প্রতিযোগিতায় প্রযোজ্য হবে না।
শুধু সুয়ারেজ নন, শাস্তি পেয়েছেন আরও অনেকে। সিয়াটলের কোচিং স্টাফ স্টিভেন লেনহার্টকে পাঁচ ম্যাচ, মায়ামির টমাস অ্যাভিলেসকে তিন ম্যাচ এবং সার্জিও বুসকেটসকে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি জরিমানাও গুনতে হবে তাদের।
এর আগেও একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছেন সুয়ারেজ। ২০১০ বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে ঘানার বিপক্ষে ইচ্ছাকৃত হ্যান্ডবলে শাস্তি পান তিনি। এরপর তিনবার প্রতিপক্ষকে কামড় দেওয়ার কারণে নিষিদ্ধ হন, সর্বশেষ ২০১৪ বিশ্বকাপে ইতালির ডিফেন্ডার কিয়েল্লিনির কাঁধে কামড়ের ঘটনায়।
সর্বশেষ ফাইনালে শুধু থুতু ছোড়াই নয়, প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের গলায় হাত দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পুরো ঘটনা নিয়ে তদন্ত চলছে। তবে এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুঃখ প্রকাশ করেছেন সুয়ারেজ।
তিনি লিখেছেন, এটি ছিল প্রচণ্ড উত্তেজনা ও হতাশার মুহূর্ত। ম্যাচ শেষে এমন কিছু ঘটে গেছে যা কখনোই হওয়া উচিত নয়। আমার প্রতিক্রিয়ার কোনো অজুহাত নেই। আমি ভুল করেছি এবং আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
ঘটনার সূত্রপাত রেফারির শেষ বাঁশির পর। তখন সিয়াটলের তরুণ মিডফিল্ডার ওবেদ ভার্গাসের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন সুয়ারেজ। পরিস্থিতি সামলাতে উভয় দলের কর্মকর্তারা ছুটে গেলে সংঘর্ষ আরও বেড়ে যায়। ক্যামেরায় ধরা পড়ে প্রতিপক্ষ স্টাফের দিকে থুতু ছোড়ার মুহূর্ত। এক পর্যায়ে ধাক্কাধাক্কি ও ঘুষি বিনিময়েও জড়িয়ে পড়েন খেলোয়াড়রা, যেখানে ছিলেন বুসকেটসও।