প্রকাশ: বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:০১ পিএম আপডেট: ০৩.০৯.২০২৫ ৭:৪৬ PM

দামুড়হুদায় পতিত ৩১ ইট ভাটার ৬৬ একর জমিতে আউশ ধান চাষ
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার ইটভাটার পতিত জমিতে আউশ ধান চাষ করা হয়েছে। এখন যেন দামুড়হুদার প্রতিটি ইটভাটায় আউশ ধান চাষে (সবুজ ফসলে) ভরে গিয়েছে। এ বছর আউশ ধান চাষে সময়মতো পানি হওয়ায় ইটভাটার পতিত ৬৬ একর (১৯৮ বিঘা) জমিতে চলতি আউশ মৌসুমে ধান চাষ করা হয়েছে।
দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, দামুড়হুদা উপজেলায় মোট ৩১টি ইটভাটা রয়েছে। এসব ভাটায় প্রায় পতিত সব জমিতেই ধানসহ বিভিন্ন রকমের সবজি চাষাবাদ করা হয়ে থাকে। বছরে ৬ মাস ভাটা বন্ধ থাকে। এসময় ভাটা মালিকরা তাদের পতিত জমি ভাটার লেবাদের কাছে অল্প টাকায় লিজ দিয়ে থাকেন।
রাইসা ও নেভি ইট ভাটা মালিক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুল মালেক মিয়া বলেন, “আমরা প্রতি বছর ইট ভাটায় কাজ শেষে ভাটার শ্রমিকদের কাছে অল্প টাকায় ৬ মাসের জন্য চাষাবাদ করার জন্য লিজ দিয়ে থাকি। এসময় তারা ধানসহ বিভিন্ন রকমের ফসল ফলায়। বছরের অর্ধেক সময় এসব জমি আগে পড়ে থাকতো। এখন ভাটার শ্রমিকদের মাঝে চাষ করার জন্য দিয়ে থাকি।”
উপজেলার কার্পাসডাঙ্গার নেভি ইটভাটার পতিত জমি চাষী আব্দুল আলিম বলেন, “এবছর আমি দুই বিঘা জমি মালিকের কাছ থেকে অল্প টাকায় লিজ নিয়ে আউশ ধান চাষ করেছি। দুই বিঘা জমিতে সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে ২৪ হাজার টাকা। তবে এ বছর দুই বিঘা জমিতে ৪০ মন ধান হবে আশা করছি। আর আবহাওয়া একটু ভালো থাকলে ২২ থেকে ২৪ হাজার টাকার বিচালি বিক্রি করতে পারবো।”
দামুড়হুদা উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার অভিজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, “ধান উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভাটা মালিকরা একমত। তাই চলতি আউশ মৌসুমে ভাটায় চাষকৃত কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করা হয়। পতিত জমি চাষের আওতায় আসায় মালিক ও শ্রমিক উভয়ই লাভবান হচ্ছেন। ইটভাটার জমিগুলো এক সময় পড়ে থাকতো, এখন চাষের আওতায় আসছে।”