প্রকাশ: বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৬:৩৯ পিএম

সংগৃহীত ছবি
এবার সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামোর জন্য কমিশন গঠন করা হয়েছে। রাজনৈতিক, আর্থিক ও সামাজিক সংকট আমলে নিয়ে কমিশন নতুন একটি কাঠামো প্রস্তাব করবে সরকারের কাছে।
এদিকে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে জোর প্রস্তুতি
চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। এজন্য আর্থিক সংকট বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচনের
আগে নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণার সম্ভাবনা নেই। তবে পে-কমিশন প্রতিবেদন জমা
দিলে সেই অনুযায়ী একটি বেতন কাঠামোর সুপারিশমালা চূড়ান্ত করবে সরকার।
এরআগে, গত জুলাই মাসে গঠিত এই পে কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। তবে নির্বাচিত সরকার এসেই নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করবে বলে জানা গেছে। এছাড়াও, পে-কমিশন গঠনের পর ১৪ আগস্ট প্রথম সভাও করেছে কমিশন। কর্মপরিধি অনুযায়ী
আগামী ছয় মাসের মধ্যে সরকারের কাছে একটি প্রতিবেদন দাখিল করবে কমিশন।
সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী নতুন একটি বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হবে। কিন্তু কমিশনের প্রথম সভায় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক অবস্থা। এ অবস্থায় সরকারি চাকুরেদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা করা কতটা উপযোগী তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
অবশ্য এই নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা ও বাস্তবায়ন হওয়ার আগ পর্যন্ত সরকারি
চাকরিজীবীরা নিয়ম অনুযায়ী মহার্ঘভাতা প্রাপ্য হবেন। এমন পরিকল্পনা নিয়ে
অগ্রসর হচ্ছে সরকারের অর্থ বিভাগ।
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, “আমাদের পরিকল্পনা হলো সময়োপযোগী একটি বেতন কাঠামো ঘোষণা করা। তবে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিও চলছে। আমরা সময় পেলে ঘোষণা করে যাব। আর সেটা নতুন সরকার এসে বাস্তবায়ন করবে।”
এছাড়াও অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ আরো বলেছেন, “নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে
কমিশনকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে দেশের আর্থ-সামাজিক
অবস্থা ও মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় রাখতে বলা হয়েছে।”
ধারণা করা যাচ্ছে অর্থ উপদেষ্টার এই মন্তব্যের পর কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরবে সরকারি চাকরিজীবীদের মাঝে।