প্রকাশ: শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ৬:০৫ পিএম

সকাল ১১টায় টিএসসির করিডোরে এ অনুষ্ঠান শুরু হয়।
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) জুলাই-আগস্ট ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে সকল শহীদদের স্মরণে শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের উদ্যোগে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ১১টায় টিএসসির করিডোরে এ অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ইবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. সাহেদ আহম্মেদ এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব মাসুদ রুমি মিথুন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউট্যাব ইবি শাখার সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন, ইবি সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান ও জিয়া পরিষদ ইবি শাখার সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান।
এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউট্যাবের যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান, আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. আলীনূর রহমান, প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজী এবং আজিজ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এটিএম মিজানুর রহমান।
সভায় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. সাহেদ আহম্মেদ বলেন, “৫ আগস্টের পর আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমাদের কোনো কর্মী চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মব সৃষ্টি বা হল দখলে জড়িত নয়। শিক্ষকরা যে শিক্ষা দেন, সেই অনুযায়ী আমরা কাজ করছি। গতকাল নুরের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানাই এবং অতিউৎসাহী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের আহ্বান জানাই। এছাড়া আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থী সাজিদ হত্যার ঘটনায় জড়িতদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন বলেন, “১৭ বছরের ফ্যাসিবাদ ছাত্র সমাজ দূর করেছে, ফলে আওয়ামী লীগ পালাতে বাধ্য হয়েছে। আওয়ামী নেতারা শুধু নিজেদের স্বার্থ দেখেন, কর্মীদের কথা ভাবেন না- যা শেখ মুজিবও করেছিলেন। কিন্তু বিএনপি প্রতিটি ছাত্রদল কর্মীকে সন্তান মনে করে। তাদের কৃতিত্ব ভাগ নিতে চায় না। জনগণই বিএনপির অবদান বিচার করবে, এটাই বিএনপির মূল আদর্শ।”