কুমিল্লার তিতাস উপজেলার সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসা, জুয়া, ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই ও নাশকতাসহ সকল অপরাধীদের আতঙ্কের নাম ওসি মো. শহীদ উল্ল্যাহ।
তিনি যোগদানের চারমাসের মধ্যে একাধিক চিহ্নিত মাদক সম্রাট, শীর্ষ সন্ত্রাসী, হত্যাকারী, অপহরণকারী, ডাকাত, সাজাপ্রাপ্ত-পলাতক, ওয়ারেন্টভুক্ত ও বৈষম্য বিরোধী মামলার আসামিসহ ১৮০ জন অপরাধীকে আটক করেন।
এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, মাদক সম্রাট আসলাম, সাত্তার, মোশারফ, নিহত কিলার মামুনের সহযোগিতা সন্ত্রাসী রকিবুল ইসলাম বুলেট, ছোট মামুন, রিপন, খলিল মিয়া এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা ভুক্ত পলাতক সেলিম মিয়াসহ অনেকেই। তার এমন সাহসী পদক্ষেপে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা হ্রাস পেয়েছে এবং অনেক অপরাধীরা এখন এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। অপরাধ দমনে তার এমন যোগ্য নেতৃত্ব সাধারণ মানুষের প্রশংসার জোয়ারে ভাসছে।
সম্প্রতি উপজেলার সাহাবৃদ্দি গ্রামের ট্রাক্টর চালক নজরুল ইসলামকে নির্মমভাবে হত্যা করে লাশ টুকরো করে নদীতে ফেলে দেওয়ার প্রধান দুই হত্যাকারীকে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়ে নিহত স্বজনসহ তিতাসের সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
জানা যায়, ওসি শহীদ উল্ল্যাহ অপরাধীদের সাথে কখনো আপস করেননা। অপরাধীদের ধরতে তিনি নিজেই ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এবং পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে বিভিন্ন সামাজিক ও সচেতনতামূলক কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিটি ইউনিয়নে ইউনিয়নে করছেন মাদক বিরোধী সভা।
পুলিশের এই কর্মকর্তার প্রশংসা করে একাধিক ব্যক্তি বলেন, “ওসি শহিদ উল্ল্যাহ থানায় যোগদানের পর থেকে তিনি এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত ও মাদকদ্রব্য এবং সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে একের পর এক যে অভিযান পরিচালনা করছেন তা সত্যই প্রশংসার দাবি রাখে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে তিতাস হবে একটি শান্ত ও নিরাপদ উপজেলা।”
ওসি শহীদ উল্ল্যাহ বলেন, “চলতি বছরের ৮ এপ্রিল আমি তিতাস থানায় যোগদান করি। যোগদানের পর থেকে কুমিল্লা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশে মাদক, জুয়া, সন্ত্রাসসহ তিতাসকে অপরাধমুক্ত রাখতে কাজ করে যাচ্ছি। পাশাপাশি সেবার মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যতোদিন এই থানায় কর্মরত আছি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিরলস ভাবে আমার দায়িত্ব পালন করে যাবো। আপনারা যখনি দেখবেন কোথাও জুয়া খেলা হচ্ছে বা মাদক সেবন অথবা ক্রয় বিক্রয় হচ্ছে তখনি পুলিশকে খবর দিবেন পুলিশ সাথে সাথে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”
এছাড়াও তিনি রাজনৈতিক নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং যে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানান।