প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫, ২:০৮ AM আপডেট: ২১.০৮.২০২৫ ২:৫১ এএম

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নলচিরা-চেয়ারম্যান ঘাট রুটে সরকারি নৌযান সিট্রাক বন্ধ থাকলেও, বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ফিটনেসবিহীন ছোট ট্রলারগুলো চলছে, যা যাত্রীদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।
সরকারি নির্দেশনায় তিন নম্বর সতর্ক সংকেত থাকায় সিট্রাক চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছিলেন বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা মাহমুদ নবী। তবে ইজারাদারের মালিকানাধীন ট্রলারগুলো অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই করে ঘাট থেকে ছেড়ে যাচ্ছে। সিট্রাক বন্ধ থাকায় শত শত মানুষ বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ট্রলারে নদী পার হচ্ছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ইজারাদার ও ট্রলার মালিকদের প্রভাব এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে এই অবৈধ চলাচল হচ্ছে।
একজন যাত্রী আলা উদ্দিন বলেন, “যদি সিট্রাক নিরাপদ না হয়, তাহলে ট্রলার কীভাবে নিরাপদ? আমরা ঘাট ইজারাদারের হাতে বন্দি হয়ে গেছি।”
অন্য যাত্রী শাহেদ উদ্দিন বলেন, “আমাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলে, পকেট ভারি করছে। মনে হচ্ছে কিছু টাকা কর্মকর্তাদেরও ভাগে যাচ্ছে।”
ঘাট ইজারাদার আব্দুল মতিন জানিয়েছেন, তিনি প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ট্রলার চালাচ্ছেন। বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেন, “আমাদের লোকজনের সঙ্গে ফোর্স না থাকায় ইজারাদারদের বাধা দেওয়া যায়নি।”
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, সরকারি নির্দেশনার সঙ্গে দ্বিচারিতা ও দায়িত্বহীনতার কারণে সাধারণ মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ