| শিরোনাম: |

শোতে বাংলাদেশ ছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ডসহ একাধিক দেশের খ্যাতনামা কসমেটিকস ব্র্যান্ড, প্রস্তুতকারক, সরবরাহকারী, খুচরা বিক্রেতা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। শতাধিক স্টলজুড়ে ছিল নানা পণ্যের প্রদর্শনী, লাইভ ডেমো, বিউটি কনসালটেশন, স্কিনকেয়ার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং উদ্যোক্তাদের জন্য নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ।
প্রদর্শনীটির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ংশিক। দেশের শীর্ষস্থানীয় বিউটি রিটেইল ব্র্যান্ড সাজগোজও তাদের বিশেষ স্টল নিয়ে অংশগ্রহণ করে।
সাজগোজের সহ-প্রতিষ্ঠাতা সিনথিয়া ইসলাম বলেন, “যখন আমরা সাজগোজ শুরু করি, তখন মার্কেটে খুব বেশি বিউটি ব্র্যান্ড ছিল না। এখন অনেক নতুন প্রতিষ্ঠান এসেছে, যা বাজারের প্রসারের ইঙ্গিত দেয়। আমরা ভোক্তাদের সচেতন করছি—আসল পণ্য, নিরাপদ ফর্মুলেশন ও সঠিক লেবেলিং নিয়ে। সচেতন ভোক্তা মানসম্মত পণ্য, ন্যায্য দাম ও সঠিক তথ্য বেছে নেবে, যা কোম্পানিগুলোকে মান উন্নয়নে উৎসাহিত করবে। এই ইকোসিস্টেমে সবাই পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত, একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য পুরো শিল্পের উপকারে আসে। এই ফেয়ার আমাদের জন্য এক দারুণ প্ল্যাটফর্ম, যেখানে নেটওয়ার্কিং, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ভোক্তাদের কাছে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।”
আয়োজকরা জানান, সাজগোজের মতো শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডের সক্রিয় অংশগ্রহণ শিল্পের উন্নয়ন ও ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে।
২০১৩ সালে কনটেন্ট প্ল্যাটফর্ম হিসেবে shajgoj.com দিয়ে যাত্রা শুরু করে সাজগোজ। বর্তমানে এটি দেশের শীর্ষস্থানীয় বিউটি ও পার্সোনাল কেয়ার ই-কমার্স এবং কনটেন্ট প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। ৪৫০টির বেশি ব্র্যান্ডের ১০ হাজারের বেশি পণ্য সরবরাহের পাশাপাশি তারা ভোক্তাদের প্রয়োজনীয় বিউটি পরামর্শও দিয়ে থাকে।
বাংলাদেশের প্রথম বিউটি শপিং অ্যাপ চালুর কৃতিত্বও সাজগোজের। ২০২১ সালে তারা দ্য ডেইলি স্টার আইসিটি স্টার্টআপ অব দ্য ইয়ার পুরস্কার পায় এবং সিকোইয়া ক্যাপিটাল ইন্ডিয়ার সার্জ প্রোগ্রামের নেতৃত্বে ২.১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন সংগ্রহ করে। বর্তমানে ঢাকায় তাদের সাতটি ও চট্টগ্রামে একটি ফিজিক্যাল স্টোর রয়েছে। বার্ষিক ১৯.২৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির এই বাজারে সাজগোজ এখন শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে।