ড. রাজিয়া পারভীনের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫, ১০:৪৮ AM আপডেট: ১৯.০৮.২০২৫ ১:৪৮ PM

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি (Doctor of Philosophy) ডিগ্রি অর্জন করেছেন মোছা. রাজিয়া পারভীন। গত ১৪ জুলাই ২০২৫ অনুষ্ঠিত ২৬৬তম শিক্ষা পরিষদ সভার সুপারিশক্রমে এবং ১১ আগস্ট ২০২৫ অনুষ্ঠিত ৫৪১তম সিন্ডিকেট সভায় তার ডিগ্রি অনুমোদন দেওয়া হয়।
তার গবেষণার শিরোনাম ছিল ‘ION ACOUSTIC SOLITARY WAVE SOLUTIONS IN BOTH CLASSICAL AND FRACTIONAL ORDER NONLINEAR MODEL OF PLASMA PHYSICS’। এই গবেষণায় তিনি প্লাজমা পদার্থবিদ্যার জটিল তত্ত্ব নিয়ে কাজ করেছেন। তার গবেষণার সুপারভাইজার ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের প্রফেসর ড. শিউলী শামিম শান্তা। পাশাপাশি টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. পিনাকী দে এবং পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ কো-সুপারভাইজার হিসেবে তার পাশে ছিলেন।
গবেষণার মূল্যায়ন কমিটির মধ্যে ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের খ্যাতনামা প্রফেসর ড. এ.এ. মামুন এবং মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি মালায়ার ইনস্টিটিউট অব ম্যাথমেটিক্যাল সাইন্সেসের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. নূর ফাদিয়া বিনতে মোহা. নূর।
ড. রাজিয়া পারভীন পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার সানিলা গ্রামের মো. আব্দুর রাজ্জাক ও মোছা. মোমেনা খাতুনের জ্যেষ্ঠ কন্যা। তার স্বামী জনাব বশির আল হেলাল কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর থানাধীন বিভাগ গ্রামের মরহুম নূর উদ্দিন আহমেদের কনিষ্ঠ পুত্র। তাদের দুই কন্যা সন্তান রয়েছে।
বর্তমানে তিনি টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হিসেবে কর্মরত আছেন। তার শিক্ষকতা জীবন গত ১৬ আগস্টে ১৬ বছর পূর্ণ করেছে। গণবিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক থাকাকালীন তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পূর্বে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন ও কিছুদিন পরেই সে চাকরি ছেড়ে ঢাকা চলে আসেন।
ড. রাজিয়ার গবেষণাধর্মী কাজ আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রশংসিত হয়েছে, যেখানে তিনি ইতোমধ্যেই ১২টি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন এবং আরো গবেষণাপত্র প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন। তিনি তার কর্মজীবন আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহী এবং সকলের শুভকামনা ও দোয়া প্রত্যাশা করেন।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম