প্রকাশ: শুক্রবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৩২ পিএম

এসময় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য-সচিবসহ শীর্ষ পাঁচ নেতার কেউই উপস্থিত ছিলেন না।
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
আজ শুক্রবার (১৫ আগস্ট) বাদ জুমা এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। তবে এসময় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য-সচিবসহ শীর্ষ পাঁচ নেতার কেউই উপস্থিত ছিলেন না।
জানা গেছে, সম্প্রতি শাখা ছাত্রদলের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির সম্প্রসারণ করা হয়। পাশাপাশি গঠন করা হয় হল কমিটি। কমিটিতে ছাত্রলীগ পুনর্বাসন, বহিষ্কৃত ও বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্তদের পদায়নের করায় ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এছাড়া দুঃসময়ে ছাত্রদলের আন্দোলন সংগ্রামে হাল ধরা নেতাকর্মীরা যথাযথ মূল্যায়ন না পাওয়ায় বিক্ষোভ মিছিল করেন। এ ঘটনার পর থেকেই ক্যাম্পাসে প্রবেশ করছেন না শাখা ছাত্রদলের সুপার ফাইভ অর্থাৎ শীর্ষ পাঁচ নেতা।
ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বলছেন, গত ৮ তারিখ থেকে তারা ক্যাম্পাসে অনুপস্থিত। এটা ছাত্রদলের প্রতি বিরূপ প্রভাব পড়ছে। সামনে জাকসু নির্বাচন এই মুহূর্তে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে প্যানেলের জন্য কাজ করার দরকার। কিন্তু তারা বিতর্কিত কমিটি করার মাধ্যমে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারছে না। ফলে জাকসুতে ছাত্রদলের ফলাফল নিয়ে অনিশ্চিয়তা তৈরি হয়েছে।
দোয়া মাহফিলে যুগ্ম আহ্বায়ক জরজীস মোহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, গণতন্ত্রের মা বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদ জিয়ার ৮০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের পূর্বঘোষিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের অংশ হিসেবে জাবি শাখা ছাত্রদলেরও দোয়া-মাহফিল করার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক-সদস্য সচিবসহ অন্য শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ক্যাম্পাসে ‘বিতর্কিত’ বর্ধিত কমিটি ও হল কমিটি ঘোষণার পর ক্যাম্পাস থেকে পালিয়ে গেছেন। গত ৮ দিন ধরে তারা ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের কোন কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনা করছেনা। এমনকি আজকের দিনে আমাদের দেশনেত্রীর সুস্বাস্থ্য কামনায় যে দোয়া মাহফিল তারা সেটিও করতে আসেনি। আমরা দেশনেত্রীর সুস্বাস্থ্য কামনা করি এবং এই ব্যর্থ আহ্বায়ক-সদস্য সচিবদের অব্যাহতি দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
ক্যাম্পাসে না আসার বিষয়ে জানতে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবরের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। এছাড়া ক্যাম্পাসে না থাকলেও আবাসিক হলগুলোতে মিলাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব ওয়াসিম আহমেদ অনিক।
কোথায় আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা অফিশিয়াল কাজে ব্যস্ত আছি। তবে হলগুলোতে মিলাদের নির্দেশনা দিয়েছি। সেন্ট্রাল মসজিদে যারা মিলাদ করেছে তারা আমাদের কেউ না।