প্রকাশ: সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫, ৯:০৭ পিএম

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ব্যবহার করে চুনা তৈরির দুটি কারখানার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে এবং অবকাঠামো ধ্বংস করেছে।
সূত্র জানায়, একই অভিযানে অবৈধ গ্যাস পুড়িয়ে ব্যবসা পরিচালনার অপরাধে বালুয়াকান্দি এলাকার “ফুড ভিলেজ” নামের একটি রেস্তোরাঁ সিলগালা করা হয় এবং একটি চায়ের দোকানের মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আজ সোমবার (১১ আগস্ট) দিনব্যাপী উপজেলার বালুয়াকান্দি ও টেংগারচর ইউনিয়নের ভাটেরচর নতুন রাস্তা এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়। বালুয়াকান্দির মিয়ামী রেস্টুরেন্টের বিপরীতে অবস্থিত একটি চুনা কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরে ভাটেরচর নতুন রাস্তা এলাকায় অপর একটি চুনা কারখানার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে এস্কেভেটরের মাধ্যমে কারখানাটি ধ্বংস করা হয়।
একই এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ নিয়ে পরিচালিত একটি রেস্তোরাঁ সিলগালা করা হয়। এছাড়া বারেক নামে এক চায়ের দোকানিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নেতৃত্ব দেন মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ওমর ফারুক। তিনি জানান, “দিনব্যাপী অভিযানে দুটি অবৈধ চুনা কারখানার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, একটি রেস্তোরাঁ সিলগালা এবং একটি চায়ের দোকান মালিককে জরিমানা প্রদান করা হয়েছে।”
তিতাস গ্যাস সোনারগাঁ-মেঘনা ঘাট অঞ্চলের ব্যবস্থাপক সুরজিত কুমার সাহা বলেন, “গত কয়েক মাস ধরে সোনারগাঁ ও গজারিয়ায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযান চলমান এবং তা অব্যাহত থাকবে।”
অভিযানে গজারিয়া থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সহযোগিতা করেছে।
উল্লেখ্য, আজকের অভিযানে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা দুইটি কারখানা একই চক্রের তত্বাবধানে পরিচালিত। গত তিন মাসে অভিযানে ওই কারখানা অন্তত চারবার ধ্বংস করা হয়েছে। গজারিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একই পন্থায় অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করে প্রতি মাসে কোটি টাকা মূল্যের গ্যাস অপচয় করছে ওই চক্র।
তাছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া অংশের ১৩ কিলোমিটার এলাকায় অধিকাংশ হাইওয়ে রেস্তোরাঁ গ্যাস চোরাই সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করার অভিযোগ রয়েছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ