প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫, ৮:০৮ পিএম

কেশবপুর থানায় অনধিকার প্রবেশ, কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তাকে হুমকি এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সংগঠন পেশাজীবী পরিষদের কেশবপুর উপজেলা সভাপতি ও আইনজীবী অজিয়ার রহমানকে আটক করা হয়েছে। পরে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তাঁকে সংগঠন থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়।
বুধবার (৭ আগস্ট) সকালে যশোর শহর থেকে অজিয়ার রহমানকে আটক করে পুলিশ। একই দিন দুপুরে তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক জামিন মঞ্জুর করেন।
পরে রাত সাড়ে ৮টায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর যশোর জেলা প্রচার সম্পাদক মো. শাহাবুদ্দিন জানান, অজিয়ার রহমানকে সংগঠনের সকল পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবার, যখন কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মকলেসুর রহমান বাদী হয়ে অজিয়ারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, নিজের চাচাতো ভাই শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে অজিয়ার রহমান থানায় প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় পুলিশ কর্মকর্তাকে হুমকি দেন এবং সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি করেন।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, অজিয়ার রহমান থানায় উপস্থিত এক পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে উচ্চস্বরে কথা বলছেন এবং রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে তাঁকে অপমান করছেন। ভিডিওতে অজিয়ারকে বলতে শোনা যায়, “আপনি আওয়ামী লীগের লোকের মতো আচরণ করছেন।”
জবাবে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “আমি কেন রাজনীতি করব?”
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ