প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৩৭ পিএম আপডেট: ০৫.০৮.২০২৫ ৮:৪৩ PM

'আমার বাড়িতে থাকার স্থান নাই আমি আবাসান প্রকল্পে থাকি। আমার থাকতে কষ্ট, চলতে কষ্ট', এমনটা বলছিলেন জুলাই ২৪ এ ঢাকায় শহীদ মিলনের বাবা মো. হোসেন আলী।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার (৫ আগষ্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান শহীদ মিলনের বাবা মো. হোসেন আলী কান্না জড়িত কন্ঠে এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, 'সরকার থেকে যে ৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছে তার ৪ লক্ষই তার ছেলের বউ নিয়ে গেছে। এখন যা দেয় তার বেশিভাগই তার ছেলের বউ নিয়ে যায়। তাদের(শহীদ মিলনের বাবা- মায়ের)থাকতে পরতে কষ্ট সাধ্য হচ্ছে।'
এ সময় র্যালি, আলোচনা সভা, দোয়া মোনাজাত ও স্থানীয় তিন শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা প্রদান এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সাহসী ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে পবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতিকে সম্মাননা স্মারক (ক্রেস্ট) প্রদান করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান এবং ট্রেজারার প্রফেসর মো. আব্দুল লতিফ।
উল্লেখ্য, দুমকি উপজেলার বাসিন্দা ব্যবসায়ী মো. মিলন (৩০) ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলার ঝাটরা এলাকার মো. হোসেন হাওলাদারের ছেলে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ