প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫, ৫:৫৩ পিএম আপডেট: ০৫.০৮.২০২৫ ৫:৫৭ PM

ঠাকুরগাঁওয়ে শ্রদ্ধা, ভাবগম্ভীরতা ও রাজনৈতিক গুরুত্বের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকালে জেলার পুরাতন বাসস্ট্যান্ড গোলচত্বরের “জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে” পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ।
জেলা প্রশাসনের পক্ষে প্রথমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা। এরপর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম, এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মামুন বিশ্বাস, বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রাফিউল ইসলাম এবং অন্যান্য দপ্তর ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা। পরে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন। ওই দিনে সারা দেশের মতো ঠাকুরগাঁওয়েও ছাত্র-জনতার সম্মিলিত আন্দোলনে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা শহর। দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে এই গণঅভ্যুত্থান করে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগে।
এই দিনটি পরবর্তীতে “৩৬ জুলাই” নামে পরিচিতি পায়, যার প্রথমভাগে ঠাকুরগাঁও শহরের আদালত চত্বর, সড়ক-মহাসড়ক ছিল উপচে পড়া জনতায় মুখরিত। জেলা স্কুল বড়মাঠে হাজারো মানুষের স্লোগান কাঁপিয়ে তোলে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মনোবল।
বিরল এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, সেনাবাহিনীর সদস্যরা সরকার নির্দেশ অমান্য করে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা থেকে বিরত থাকেন এবং এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীদের সাথে কোলাকুলি করতে দেখা যায়। শেখ হাসিনার দেশত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আন্দোলন রূপ নেয় বিজয়ের উল্লাসে, আর রাজপথে ছড়িয়ে পড়ে বাঁধভাঙা গণ-উৎসব।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ