
সুজা সভাপতি, বক্কর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল ও সম্মেলনে সভাপতি পদে আবু সুফিয়ান সুজা এবং সাধারণ সম্পাদক পদে আবু বক্কর সিদ্দিক নির্বাচিত হয়েছেন।
গতকাল শনিবার (২ আগস্ট) দিনব্যাপী মহিমাগঞ্জ ডাকবাংলো মাঠে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে এ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৪৫৩ জন কাউন্সিলর তিনটি পদের জন্য সরাসরি ভোট দেন।
নির্বাচন শেষে রাত আটটার দিকে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি পদে আবু সুফিয়ান সুজা (চেয়ার প্রতীক) ২৭৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী নবিবর রহমান (ছাতা প্রতীক) পান ১৬৮ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে আবু বক্কর সিদ্দিক (ফুটবল প্রতীক) ২৪৮ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী নাজিম উদ্দিন আলম (দোয়াতকলম প্রতীক) পান ২০০ ভোট।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. সাবু মিয়া (মোরগ প্রতীক) ২৬১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অপর প্রার্থীদের মধ্যে গোলাম রহমান আকন্দ (মাছ প্রতীক) পান ১০৭ ভোট এবং গোলাম ছারোয়ার হাসান (আম প্রতীক) পান ৭৮ ভোট।
কাউন্সিল ও সম্মেলন এক উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। শুধু গোবিন্দগঞ্জ নয়, জেলার অন্যান্য স্থান ও পাশ্ববর্তী বগুড়া থেকেও বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক নবিবর রহমান এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব নাজিম উদ্দিন আলমের সঞ্চালনায় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ।
প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব রেজানুল হাবিব রফিক।
বিশেষ অতিথি ছিলেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ফারুক কবির আহমদ, গোবিন্দগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক রবিউল কবির মনু, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন দিপু, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুর রহমান চৌধুরী ডিউক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহ আলম প্রধান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর লেলিন এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে আরও ছিলেন মোকাদ্দেম হোসেন সজল, তরিকুল ইসলাম চঞ্চল, আনোয়ার হোসেন গোলাপ, হাবিবুর রহমান আকন্দ ও মনির হোসেন সরকার।
কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার মাধ্যমে মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন নেতাকর্মীরা।