প্রকাশ: শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫, ১০:২৩ পিএম আপডেট: ০২.০৮.২০২৫ ১০:৩৫ PM

শালবাগান মোড়ের মূল রাস্তাটি অল্প বৃষ্টির পানিতেই তলিয়ে যায়
নওগাঁর পত্নীতলার শিহাড়া ইউনিয়নের হলাকান্দর গ্রামের শালবাগান মোড়ের মূল রাস্তাটি অল্প বৃষ্টির পানিতেই তলিয়ে যায়। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকার কারণে বৃষ্টির পানি সড়কে এসে জমা হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে সড়কে চলাচল পথচারী ও এলাকাবাসী।
আজ শনিবার (২ আগস্ট) সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রিকশা, মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার, অটোসহ অন্যান্য যানবাহনে প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে এই রাস্তাটিতে।
দেখা যায়, হলাকান্দর ঈদগাহ মাঠ, হলাকান্দর প্রাথমিক বিদ্যালয়, হলাকান্দর সাবেদ আলি দাখিল মাদ্রাসা, উত্তরামপুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আলপাকা হালিমনগর কিন্ডারগার্টেন, হলাকান্দর কমিউনিটি হাসপাতাল ও হলাকান্দর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে যাবার সময় দুর্ভোগ পোহাতে হয় এই সড়কে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ। সংস্কারের অভাবে হাঁটু সমান ডুকে থাকে সড়কটি। এ রাস্তায় বৃষ্টির পানি এলাকাবাসীর কাছে আর্শীবাদের বদলে অভিশাপ হয়ে দাঁড়ায়।
স্থানীয় বাসিন্দা শিক্ষাবিদ মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘‘রাস্তাটি এই এলাকার প্রধান রাস্তা হিসাবেই পরিচিত। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ত হাজারো পথচারী, ছোট ছোট শিক্ষার্থীসহ নানা পেশার মানুষ যাতায়াত করে। জরুরি ভিত্তিতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করলে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এই রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থার জন্য কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি।
একাধিক গ্রামবাসী জানায়, এই রাস্তাটি সংস্কার ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় তারা সার্বিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি চায়।
পত্নীতলা উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইমতিয়াজ জাহিরুল হক বলেন, “এই রাস্তাটি আমাদের অধীন ছিল, বর্তমানে এটি সড়ক জনপদ বিভাগের অধীনে গেছে।”
পরবর্তীতে উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী, সওজ,সড়ক উপ-বিভাগ পত্নীতলা মো. আহসান হাবীবের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।