প্রকাশ: শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫, ৯:৪৮ পিএম

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সাবেক ও বর্তমান দুই ইউপি সদস্যের বাড়িসহ ৫টি বাড়ি ভাংচুর ও ৬টি গরুসহ সর্বস্ব লুটে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার সকাল ১০টায় উপজেলার মেঘনা বেষ্টিত কারাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের ইজারকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর লুণ্ঠিত দুটি গরু উদ্ধার করে কালাপাহাড়িয়া পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে রাখলে সেখান থেকে আবারও গরু দুটি জোর করে লুটেরারা নিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বর্তমান সদস্য তোফাজ্জল এবং সাবেক ইউপি সদস্য হকসাবের বাড়িতে শনিবার সকাল ১০টার দিকে একযোগে হামলা ও লুটপাট চালায় ওই ইউনিয়নের কতিপয় বিএনপির লোকজন এবং ইউনিয়ন তরুণলীগের সভাপতি রাসেল। তারা রাসেল, জালাল, শরীফ এবং শরীফের নেতৃত্বে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তোফাজ্জল মেম্বারসহ তার চাচা নুরুলহক, চাচাতো ভাই দুলাল এবং হকসাব মেম্বারের বাড়িসহ তার পার্শ্ববর্তী আরো ৩টি বাড়িতে হামলা, লুটপাট চালায়। এ সময় হামলাকারীরা নানা প্রকার অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে এবং ককটেল ফাটিয়ে আতংকের সৃষ্টি করে তোফাজ্জল মেম্বারের বাড়ি থেকে ৩টি গরু, ৩ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার এবং নগদ ৩০ হাজার টাকা ও হকসাব মেম্বারের বাড়ি থেকে ৩টি গরু, ৬ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার, নগদ ৫ লাখ টাকা লুটপাট করে নিয়ে যায়। এ সময় তারা ৬টি বাড়ি ভাংচুর করে। পরে কালাপাহাড়িয়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ দুটি গরু উদ্ধার করে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে রাখলে দুর্বৃত্তরা পুলিশ ফাঁড়ি থেকেও পুনরায় গরু দুটি ছিনিয়ে নেয়।
এ ব্যাপারে আড়াইহাজার থানার ওসি খন্দকার নাসিরউদ্দিন জানান, হকসাব মেম্বারের ছেলে মাহাবুব ঢাকায় থেকে বিএনপির নামে উষ্কানীমূলক একটি পোষ্ট দেয়াকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসী এ হামলা করেছে।
ফাঁড়ি থেকে গরু নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে কালাপাহাড়িয়া পুলিশ ফাঁড়ির এ এস আই বাদশা বেপারীর মুঠোফোনে কল দিলে তিনি জানান, আমি বাইরে আছি। বিষয়টি আমার জানা নেই।
বিষয়টি জানার জন্য ওই ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আনিসুর রহমানকে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর