প্রকাশ: বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৯ AM

সংগৃহীত ছবি
সারাজীবনের উপার্জিত অর্থ কোথায় বিনিয়োগ করবেন, এ নিয়ে চিন্তিত থাকেন অনেকেই। কেউ বিনিয়োগ করেন স্থাবর সম্পদে, কেউ সঞ্চয়পত্র কিংবা বিভিন্ন ব্যবসায়। তবে মধ্যবিত্তদের জন্য সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য সঞ্চয়ের একটি মাধ্যম হলো প্রাইজবন্ড।
সকল শ্রেণির মানুষের মধ্যে সঞ্চয়ের প্রবণতা বাড়াতে সরকার ‘বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড’ চালু করে। এই বন্ড যেকোনো সময় কেনা ও ভাঙানো যায়। এর ১২০তম ড্র অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩১ জুলাই।
প্রাইজবন্ডে প্রথম পুরস্কার বিজয়ীকে দেয়া হয় ৬ লাখ টাকা। দ্বিতীয় পুরস্কার ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা, তৃতীয় পুরস্কার ১ লাখ টাকা, চতুর্থ পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা এবং পঞ্চম পুরস্কার ১০ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়। ঘোষিত সংখ্যার প্রতিটি সিরিজের একই নম্বরের বন্ড একই পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হয়।
ড্রয়ের নির্ধারিত তারিখ থেকে ৬০ দিন আগে (বিক্রির তারিখ ধরে ও ড্রয়ের তারিখ বাদ দিয়ে) যেসব প্রাইজবন্ড বিক্রি হয়েছে, সেগুলো এ ড্রয়ের আওতাভুক্ত। আয়কর আইন ২০২৩ এর ১১৮ ধারার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাইজবন্ডে পুরস্কারের অর্থ থেকে ২০ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটার বিধান রয়েছে।
উল্লেখ্য, বছরের ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর তারিখে ড্র অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ নির্ধারিত আছে। নির্ধারিত তারিখে কোনো সরকারি ছুটি থাকলে পরবর্তী কার্যদিবসে ড্র অনুষ্ঠিত হয়।