প্রকাশ: রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৫, ৯:৩৫ পিএম

দখলমুক্ত করা হয় সড়ক বিভাগের ৪ একর ৩২ শতাংশ জমি
খুলনার প্রবেশদ্বার গল্লামারীতে দু’বছর ধরে চলছে ব্রিজ নির্মাণের কাজ। অন্যদিকে সড়ক ও জনপদ বিভাগের প্রায় ৫ একর জমি অবৈধ দখল করে গড়ে উঠেছে দু’শতাধিক স্থাপনা। আর রাস্তার ওপর শত শত ইজিবাইক। ফলে দুপুরে ঘণ্টার পর ঘণ্টার অধিকাংশ সময় দীর্ঘ যানজট লেগেই থাকে।
আজ রবিবার (২৭ জুলাই) জনগণের জোরালো দাবির মুখে দিনব্যাপী সড়ক ও জনপদ বিভাগ অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। গুড়িয়ে দেয় ১৭২ টি অবৈধ স্থাপনা। দখলমুক্ত করে সড়ক বিভাগের ৪ একর ৩২ শতাংশ জমি। খুলনা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তানিমুল হকের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নগরীর গল্লামারীতে দুটি ব্রিজ ছিল। গেল দু’বছর আগে আধুনিক ব্রিজ করার লক্ষ্যে একটি ব্রিজ ভেঙ্গে ফেলা হয়। শুরু হয় নতুন ব্রিজের কাজ। কিন্তু গেল এক বছর ওই ব্রিজের কাজ বন্ধ রয়েছে। এদিকে ব্রিজের দু’পাশের সওজের জায়গা দখল করে ইতিমধ্যে গড়ে উঠেছে দু’শতাধিক স্থাপনা। ফলে ঠিকাদার মালামাল না রাখতে পেরে কাজ বন্ধ রাখার অযুহাত তুলেছে। এদিকে দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চলতে থাকায় যানজট এখন নিত্যসঙ্গী হয়েছে। এ কারণে সড়ক ও জনপদ বিভাগ এসব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে একাধিক নোটিশ দেয়। কোনো কাজ না হওয়ায় রবিবার দিনব্যাপী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। গল্লামারী ব্রিজের দু’পাশের কমপক্ষে ১৭২ টি স্থাপনা গুড়িয়ে দেওয়া হয়। আর দখলমুক্ত করা হয় সড়ক বিভাগের ৪ একর ৩২ শতাংশ জমি। যার বাজার মূল্য ৪’শ কোটি টাকা।
অভিযান পরিচালনা করেন সড়ক ও জনপদ বিভাগ খুলনা, গোপালগঞ্জ ও বরিশাল জোনের এস্টেট ও আইন কর্মকর্তা এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পিজুস চন্দ্র দে। উপস্থিত ছিলেন খুলনা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তানিমুল হক ও উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সাহেদ সজিব।
সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তানিমুল হক জানান, দীর্ঘদিন পরে হলেও আমাদের জায়গা উদ্ধার করতে পেরেছি। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ব্রিজের কাজ শুরু করা হবে। তাছাড়া পুনরায় যাতে অবৈধ স্থাপনা গড়ে না উঠতে পারে সেজন্য কাঁটাতারের ঘেরা দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।