তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে : ড. এম এ কাইয়ুম

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. এম এ কাইয়ুম বলেছেন, এই ষড়যন্ত্রে কোনো লাভ হবে না।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. এম এ কাইয়ুম বলেছেন, ‘‘আবারো বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এই ষড়যন্ত্রে কোনো লাভ হবে না, কারণ শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের দরবারেও তিনি একজন খ্যাতিমান রাজনীতিবিদ ও দেশনায়ক।”
আজ সোমবার (১৪ জুলাই) বিকেলে বিএনপির উদ্যোগে বাড্ডা এলাকায় (৩৮ নং ওয়ার্ড) তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফার লিফলেট বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যে মিথ্যা অপবাদ ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তার প্রতিবাদে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। প্রয়োজনে আবারো রাজপথে নামা হবে। সব ধরনের অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র কঠিনভাবে প্রতিহত করা হবে।”
ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, “রাজনৈতিক দল হিসেবে সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার মিটফোর্ড এলাকায় সংঘটিত লালচাঁদ সোহাগ হত্যাকাণ্ডে বিএনপি তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও দৃষ্টামূলক শাস্তি দাবি করেছে। এই হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা বা উপস্থিতির প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে যাদের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলার আলোকে আজীবন বহিষ্কারের মতো সর্বোচ্চ সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”
বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এম এ কাইয়ুম বলেন, “যেকোনো উসকানির মুখে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না। আমাদের চেয়ারপারসন ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে সমস্ত অপপ্রচার-ষড়যন্ত্র আমরা সামাল দিতে পারবো। কারণ, জনগণ তো আমাদের সঙ্গে আছে। ওরা ভয় পাচ্ছে। জনগণ যদি তাদের সঙ্গে থাকতো, তাহলে ওরা কোনো দিনই নির্বাচন পেছানোর কথা বলতো না, পিআরের কথা বলতো না। একটা ধোঁয়াশা তৈরি করে, পানি ঘোলা করে, তারা মাছ শিকারের চেষ্টা করছে।”
ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, “আগামী দিনে মানুষ যার যার মতো স্বাধীনভাবে বসবাস করবে। কোনো বৈষম্য থাকবে না। বিএনপি বৈষম্যমুক্ত দেশ গড়বে। বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে আমাদের কাজ করতে হবে।”
ঢাকা ১১ আসনের মাটি মানুষের নেতা এম এ কাইয়ুম বলেন, “এলাকায় দখল চাঁদাবাজি করবেন না। মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। কোনো নেতাকর্মীর নামে দখল আর চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোন নেতাকর্মীর কর্মকাণ্ডে যেন দলের ইমেজ ক্ষুণ্ন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।”
এরপর বাড্ডা এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের কাছে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা সংবলিত লিফলেট বিতরণ করেন। এসময় স্থানীয় বিএনপি অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।