প্রকাশ: রবিবার, ২৯ জুন, ২০২৫, ৩:৩৬ পিএম আপডেট: ২৯.০৬.২০২৫ ৩:৪০ PM

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট সমাধান এবং গণরুম সংস্কৃতির চিরতরে বিলুপ্তিসহ চার দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাবি শাখা।
রোববার (২৯ জুন) দুপুর ১২ টায় ঢাবি উপাচার্য কার্যালয়ে এ স্মারকলিপি পেশ করেন সংগঠনটির শাখা সভাপতি এস এম ফরহাদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, আগামী ২ জুলাই থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে নবাগত শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হতে যাচ্ছে। কিন্তু এখনো আবাসনের কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। এতে করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসন নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র।
চার দফা দাবি তুলে ধরা হয় স্মারকলিপিতে:-
১।যেসব শিক্ষার্থীর আবাসিকতা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে, তাদের সিট বাতিল করে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে নবাগতদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া।
২। সিট সংকটের অস্থায়ী সমাধান হিসেবে ক্যাম্পাসসংলগ্ন এলাকায় অস্থায়ী হোস্টেলের ব্যবস্থা করা।
৩। শিক্ষার্থীদের জন্য মাসিক সর্বোচ্চ ৪ হাজার টাকা হারে আবাসনভাতা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যতদিন সিট বরাদ্দ সম্ভব না হবে, ততদিন এ ভাতা বহাল থাকবে।
৪। জুলাইয়ের ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যেই গণরুম সংস্কৃতির কবর রচিত হয়েছে সিট সঙ্কটের আপাত সমাধান হিসেবে তা যেন ফিরে না আসে।
এ বিষয়ে ঢাবি শাখা শিবির সভাপতি এস এম ফরহাদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ২ তারিখ থেকে নবাগত শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। আমাদের দাবি হলো তাদের আবাসনের কোন ব্যবস্থা ছাড়া ক্লাস শুরু করা যাবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনেক শিক্ষার্থীর অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে কেউ কেউ তাদের ফ্লোরে থাকার নাম করে গণরুম প্রথা ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছে। আমরা এ ব্যাপারে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক করে দিচ্ছি। শিক্ষার্থীদের আবাসনের ব্যবস্থা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকেই করে দিতে হবে।’
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম