শুক্রবার ● ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া হবে না       ● নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মোংলায় বিএনপির বিক্ষোভ       ● আওয়ামী লী‌গের তিন নেতা গ্রেপ্তার      ● সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রকল্পের সমাপনী      ● সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ       ● আইনশৃঙ্খলা সভায় হট্টগোল, তর্কে জড়ালেন এমপি হান্নান      ● লাতিন আমেরিকার দুই দলকে হারাল জাপান-কোরিয়া      ● কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৫১ কিশোর আটক      ● প্রথম ১৪ ওয়ানডেতেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাথু ব্রিটজকে      ● ২৫ সেপ্টেম্বরের মুর্তজা কিজিলবাশের কনসার্ট স্থগিত      ● অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ● ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      
ইসলামী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমপ্লয়ীদের নৈতিক আচরণবিধি
মো. খায়রুল হাসান সিএসএএ
প্রকাশ: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ১০:০৬ পিএম
মো. খায়রুল হাসান

মো. খায়রুল হাসান

ইসলামী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইসলামী শরিয়াহ’র বিধিবিধান ও নিয়মপদ্ধতি অনুযায়ী পরিচালিত হয়। ইসলামী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য, পরিচালন পদ্ধতি, প্রোডাক্ট ও সার্ভিস এবং মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনাসহ সকল কর্মকান্ডে ইসলামী শরিয়াহ’র বিধান পরিপালন করা আবশ্যক। এজন্য প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রক, নীতিনির্ধারক, শেয়ারহোল্ডার, মালিক, ম্যানেজমেন্ট, ঊর্দ্ধতন নির্বাহী, কর্মকর্তা-কর্মচারি, গ্রাহক, সাপ্লায়ার ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডারসহ সংশ্লিষ্ট সকলের শরিয়াহ বিষয়ক জ্ঞান থাকতে হবে। একই সাথে সকলকে ব্যক্তিগত ও সামষ্টিকভাবে শরিয়াহ অনুশাসন পরিপালনে প্রতিশ্রুতবদ্ধ হতে হবে। সামগ্রিকভাবে ইসলামী আর্থিক প্রতিষ্ঠানে শরিয়াহ পরিপালনকে একটি কালচারে পরিনত করতে হবে, যেখানে সংশ্লিষ্ট সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে ও আবশ্যিকভাবে শরিয়াহ পরিপালন করতে পারে এবং শরিয়াহ লঙ্ঘনকে একটি মারাত্নক অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে পারে। 

ইসলামী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে শরিয়াহ পরিপালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভূমিকা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামী শরিয়াহ’র বিধিবিধান, শরিয়াহ’র সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা এবং প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কালচার ও অনুশাসন প্রভৃতির উপর ভিত্তি করেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নৈতিক আচরণবিধি নির্মিত হয়। বিশ্বব্যাপী ইসলামী আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের আন্তর্জাতিক মানদন্ড নির্ধারক প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড অডিটিং অর্গানাইজেশন ফর ইসলামিক ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউট (আওফি)’ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমপ্লয়ীদের জন্য কিছু মৌলিক আচরণবিধি নির্ধারণ করেছে। এ আচরণবিধিসমূহকে তিনটি পৃথক ভাগে বিন্যাস করে নিচে আলোচনা করা হলো। 

এক. প্রত্যেক এমপ্লয়ীর নিজের চাকুরির প্রতি দায়বদ্ধতার বিধান:
এই বিধানের প্রতিটি বিষয় শরিয়াহ’র নীতিমালার আলোকে নির্ধারীত বিধায় এগুলো পরিপালন করা প্রত্যেক এমপ্লয়ীর জন্য অবশ্য করণীয়। নিচে এগুলোর বর্ণনা দেওয়া হলো: 
•    ইসলামী আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে ‘এহসান’ বা সর্বোচ্চ সদাচারণ প্রদর্শন করবে। তারা তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সর্বদা আল্লাহকে উপস্থিত জেনে তাঁর নিকট জবাবদিহিতার অনুভূতি নিয়ে কাজ করবে। তারা এই অনুভূতি পোষণ করবে যে, আল্লাহ তাদের প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সকল কাজ দেখছেন এবং তিনি এসবের হিসাব নেবেন। প্রতিষ্ঠানের কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তি যদি তাদের দায়িত্বের ব্যাপারে কোনো খোঁজ না-ও রাখেন, তবুও তারা এমনভাবে দায়িত্ব পালন করবেন যেন- আল্লাহ তাদের প্রতিটি কাজ দেখছেন এবং এ ব্যাপারে তাদের হিসাব নেবেন। 
•    এমপ্লয়ীদের প্রত্যেককে ব্যক্তিগত জীবনে শরিয়াহ’র বিধিবিধান ও অনুশাসন সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন এবং তা পরিপালনের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতবদ্ধ হতে হবে। বিশেষ করে ইসলামের মৌলিক পাঁচটি ফরজ কাজ যথাযথভাবে পালন করতে হবে। ইসলামের মৌলিক পাঁচটি বিধান হলো- ঈমানের স্বীকৃতি দেওয়া, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা, উপযুক্ত ব্যক্তির যাকাত দেওয়া, রমজান মাসে রোজা রাখা এবং শারীরিক ও আর্থিকভাবে সামর্থবান ব্যক্তির হজ পালন করা। 
•    ব্যক্তিগত জীবনের সকল পর্যায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা যদিও তা নিজের ও আত্বীয়-স্বজনদের বিরুদ্ধে যায়। তাকে অবশ্যই অসত্য ও অন্যায় প্রকাশ করতে হবে, যদিও সেটা তার নিজের স্বার্থ ও আত্বীয়-স্বজন এবং বন্ধু-বান্ধবের স্বার্থের বিপরীত হয়। সন্দেহজনক আচরণ এবং অন্যের জন্য অপমানকর ব্যবহার ও কথাবার্তা পরিহার করতে হবে। 
•    সদাচরণ ও সত্য বলায় অগ্রগামী হতে হবে, যদিও খুব অল্প সংখ্যক মানুষ সদাচরণ ও সত্যের পক্ষে থাকে। সর্বদা অসত্য, অপরাধ ও খারাপ কাজ হতে দূরে থাকতে হবে, যদিও অধিকাংশ মানুষ অসত্য ও অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত থাকে।
•    নিজের জন্য যা ভালো অন্যের জন্য সেটাই পছন্দ করতে হবে। রাগ, অনুরাগ, ক্ষোভ, হিংসা, বিদ্বেষ, কুটিলপনা, চোগলখোরী প্রভৃতি নিন্দনীয় কাজ ও স্বভাব পরিহার করতে হবে। এছাড়া যেকোনো ধরণের গুজব, কানকথা, সত্যাসত্য যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। 
•    কাস্টমার ও অন্যান্যদের নিকট কোনো বার্তা ও তথ্য পরিবেশনের ক্ষেত্রে সর্বদা স্বচ্ছতা, জবাবদিহীতা ও সঠিক তথ্য পরিবেশন করতে হবে। 
•    বিশ্বস্ততা ও আমানতদারিতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের সাথে এমপ্লয়ীদের সম্পর্ক হলো বিশ্বস্ততার। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ রক্ষা করা ও আমানতদারিতা রক্ষা করা প্রত্যেক এমপ্লয়ীর নৈতিক দায়িত্ব। তারা সর্বোচ্চ নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও কঠোর পরিশ্রমের সাথে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি তাদের পেশাগত দক্ষতা, যোগ্যতা ও জ্ঞান সমৃদ্ধ করতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও জ্ঞানচর্চা নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাবে। 

দুই. শেয়ারহোল্ডার, ম্যানেজমেন্ট এবং সহকর্মীদের প্রতি আচরণবিধি:

প্রতিষ্ঠানের মালিক ও শেয়ারহোল্ডারদের সাথে গ্রাহকদের সম্পর্ক হলো এজেন্সির সম্পর্ক। সুতরাং এমপ্লয়ীদের দায়িত্ব হলো শেয়ারহোল্ডারদের পক্ষে এজেন্টের দায়িত্ব পালন করা এবং একই সাথে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্বও পালন করা। এক্ষেত্রে এমপ্লয়ীদের জন্য নিচে বর্ণিত দায়িত্বসমূহ আবশ্যিকভাবে পালন করতে হবে: 
•    প্রত্যেক এমপ্লয়ীকে তাদের মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা, বুদ্ধিমত্তা, সৃজনশীলতা এবং অভিনবতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বোচ্চ পারফর্ম করতে হবে। প্রয়োজনে সর্বোচ্চ মানের অবদান রাখার জন্য অন্যের সাথে অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে হবে এবং অপরকেও তার দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও উপদেশ দিতে হবে। প্রত্যেক এমপ্লয়ীকে অন্যের পরামর্শ গ্রহণের ইতিবাচক মানসিকতা লালন করতে হবে এবং তা বাস্তবায়নে সচেষ্ট হতে হবে। 
•    নিয়মানুবর্তিতা এবং শৃঙ্খলার সাথে কাজ করার স্বার্থে প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত কর্মঘণ্টা, রুটিন, অফিসিয়াল ডেকোরাম এবং কর্মপ্রণালীর সাথে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা হালাল করার জন্য এটি অত্যন্ত জরুরী বিষয়।
•    কাজের ক্ষেত্রে যেকোনো ভুলের জন্য এমপ্লয়ীকে অবশ্যই প্রতিষ্ঠানের নিকট ভুল স্বীকার করতে হবে এবং স্বাভাবিক কর্মঘণ্টা শেষ হওয়ার পূর্বে কর্মস্থল ত্যাগ করতে হলে অবশ্যই যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে এবং কোনো কাজে ভুল হলে তা তৎক্ষনাত সুধরিয়ে নিতে হবে।
•    প্রত্যেক এমপ্লয়ীকে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজমেন্ট কর্তৃক জারীকৃত সকল ধরণের নির্দেশিকা, গাইডলাইন ও নীতিমালা নিজ উদ্যোগে জেনে নিতে হবে এবং সেগুলো যথাযথভাবে পরিপালন করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের কাজের সাথে সম্পৃক্ত সকল ধরণের আইন-কানুন যথাযথভাবে পরিপালন করতে হবে। বিশেষ করে শরিয়াহ সংক্রান্ত বিধিবিধান ও নীতিমালা কঠোরভাবে পরিপালন করতে হবে। 
•    প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের ন্যায়ানুগ আদেশ মান্য করতে হবে, যদি সেটা শরিয়াহ পরিপন্থী না হয়। অধিনস্ত কর্মীদের প্রতি যত্নবান হতে হবে এবং প্রতিষ্ঠানের সাধারণ কল্যাণের স্বার্থে অন্যান্য সহকর্মীদের কাজে সহযোগিতা করতে হবে। 
•    প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের স্বার্থে সকল ধরণের সুযোগ-সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এমনকি  নিজেদের ব্যক্তিগত অর্জন ও সুযোগ-সুবিধা বিসর্জন দিয়ে হলেও। 
•    প্রতিষ্ঠানের সম্পদ, সুযোগ-সুবিধা এবং উপায়-উপকরণের নিরাপত্তা বিধান করতে হবে। নির্ধারিত উদ্দেশ্যের বাইরে সেগুলো ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। প্রতিষ্ঠানে কোনো সম্পদ ও সুযোগ-সুবিধা ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না। 
•    প্রত্যেক এমপ্লয়ীকে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থের পরিপন্থী অথবা চাকুরীবিধি বিরোধী কোনো কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট এমপ্লয়ীর দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট কোনো পার্টি থেকে উপঢৌকন, উপহার, উৎকোচ, ঘুষ গ্রহণ করা থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।  

তিন: প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সাথে আচরণবিধি
এ সংক্রান্ত বিধানগুলো নিচে আলোচনা করা হলো- 
•    প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক, সুবিধাভোগী ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের প্রাপ্য অধিকার, সেবা ও অন্যান্য বৈধ অধিকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দ্রুততার সাথে পূরণ করতে হবে। তাদের সাথে আচরণ, ব্যবহার ও কথাবার্তায় সর্বোচ্চ ভদ্রতা, নম্রতা এবং আন্তরিকতা দেখাতে হবে। 
•    অন্যের প্রাপ্য বৈধ অধিকার যথাযথভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে। কোনো ধরণের সংকীর্ণ ও নেতিবাচক মানসিকতা ছাড়াই প্রত্যেকের পদবী ও সম্মান অনুযায়ী সেবা ও অধিকার প্রদান করতে হবে। 
•    গ্রাহকসহ সকল পক্ষের গোপনীয় তথ্য-উপাত্ত যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। একজনের তথ্য অন্যের নিকট প্রকাশ করা যাবে না। তবে এ ধরণের তথ্য প্রকাশের বিষয়ে শরিয়াহ এবং আইনগত কোনো নির্দেশনা থাকলে সেটা ভিন্ন কথা। 
•    পেশাদার আচরণ এবং কাজের প্রতি অত্যন্ত সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে। নেতিবাচক চিন্তা-ভাবনা এবং ঝগড়া বিবাধ সৃষ্টি করতে পারে এমন বেহুদা গল্প-গুজব ও ধ্যান-ধারণা থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। 

ইসলামী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমপ্লয়ীদের মধ্যে উপরে বর্ণিত আচরণবিধিসমূহ যথাযথভাবে পরিপালিত হলে প্রতিষ্ঠানগুলো সত্যিকার অর্থেই আদর্শিক ও কল্যাণভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিনত হবে। এই সকল প্রতিষ্ঠানে সুশাসন, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা, নিয়মানুবর্তিতা ও পরিপালনের সংস্কৃতি বিরাজ করবে। ফলে মানুষ ও সমাজ ইসলামী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সত্যিকার সুফল ও কল্যাণ লাভ করবে। 

লেখক: বাহরাইনভিত্তিক ‘অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড অডিটিং অর্গানাইজেশন ফর ইসলামিক ফাইন্যন্সিয়াল ইনস্টিটিউট (আওফি)-এর একজন ফেলো, ‘সার্টিফায়েড শরিয়াহ অ্যাডভাইজর অ্যান্ড অডিটর’ এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের হেড অব পাবলিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন্স। ইমেইল: [email protected]

স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর

আরও সংবাদ   বিষয়:  ইসলামী   আচরণবিধি  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close