প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০২৫, ৯:৩৬ পিএম আপডেট: ১৭.০৬.২০২৫ ৯:৫৮ PM

পাবনা সদরের টেবুনিয়া বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাবনা জেলা প্রশাসন ও সড়ক জনপদ বিভাগের যৌথ উদ্যোগে পাবনা সদরের টেবুনিয়া বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আজ মঙ্গলবার (১৭ জুন) সড়ক ও জনপদ বিভাগের নিজস্ব যায়গায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে যার ফলে বেদখল হয়ে যাচ্ছে সরকারি জায়গা। অনেকে রিতিমত স্থায়ী ইমারত নির্মান করে ব্যবসা করে আসছেন। শুধু তাই নয়, অনেকে সরকারি জায়গা দখল করে ভাড়া দেওয়ার পাশাপাশি অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
প্রসঙ্গত, এই সরকারি রাস্তার অনেকটা জায়গা দখল ও সাপ্তাহিক দুইদিন হাটবার হওয়ার কারণে রাস্তা অনেকটা দখল হয়ে গিয়েছে। এরফলে যানবাহন যাতায়াত ও জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। এ বিষয়টা সামনে রেখে ও সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করতে জেলা প্রশাসন ও সড়ক জনপদ বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আজকের এ অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন পাবনা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাহারুল ইসলাম। তিনি বলেন, “সরকারি জায়গা দখল করে কোন স্থাপনা করার সুযোগ নেই। এ অভিযান ঈদ উল আজহার আগে করার কথা ছিলো কিন্তু ব্যবসায়ীদের অনুরোধে ঈদের পর (১০ জুন) করার কথা ছিলো। আমাদের এই অভিযানের পূর্বে লিখিতভাবে এবং দুইদিন মাইকিং করে জানানো হয়। এখন আমরা প্রাথমিকভাবে অভিযান পরিচালনা করলাম পরবর্তীতে নির্দেশনা না মানলে আইন অনুযায়ী জেল জরিমানা করা হবে।”
পাবনা সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ বিভাগীয় প্রৌকশলী মো. সাদিকুর রহমান বলেন, “আপনারা জানেন সরকারি জায়গা ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে কিন্তু আমরা দীর্ঘদিন লক্ষ্য করছি কোন নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে একদল লোক অবৈধভাবে তাদের লোকজন সহ সড়ক বিভাগের জায়গা একপ্রকার জোর পূর্বক দখল করে রাখেন এবং অবৈধ ভোগদখল করছেন। সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করতে আমরা জেলা প্রশাসন বরাবর আবেদন করি এবং সে অনুযায়ী আজকের এ অভিযান। আমাদের এই অভিযান পুরো পাবনার বিভিন্ন স্থানে চলমান থাকবে। সরকাটি জায়গা দখলে রাখার সুযোগ নেই। সকাল নয়টা থেকে প্রায় চারঘন্টাব্যপী অভিযানে প্রায় দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।”
অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগীতায় ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পাবনায় অবস্থিত টিম, পাবনা জেলা পুলিশ, আনসার ব্যাটেলিয়ান, ফ্যায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদস্যরা। এছাড়াও গ্রাম পুলিশসহ জেলা প্রশাসন ও সড়ক জনপদ বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।
স্বদেশ প্রতিদিন/আইএমএস