স্থানীয় কৃষক আব্দুল কুদ্দুস জানান, “এবার বাগানে প্রচুর কাঁঠাল ধরেছে। আকারেও বড় ও পরিপক্ব। ভেবেছিলাম ভালো দাম পাব। কিন্তু প্রচণ্ড গরমের কারণে মানুষ কাঁঠাল খাচ্ছে না। কেউ কিনতে তো আসেই না, দেখতে আসারও মানুষ নেই।”
স্থানীয় ব্যবসায়ী এনামুল বলেন, “বাজারে কাঁঠাল অনেক, দামও নাগালের মধ্যে। কিন্তু কেউ কিনছে না। প্রচণ্ড গরমে মানুষ কাঁঠাল খেতে আগ্রহী না, তাই বিক্রি নেই বললেই চলে।”
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কাঁঠালের মৌসুম পুরোদমে শুরু হলেও তাপমাত্রা না কমা পর্যন্ত বিক্রির সম্ভাবনা কম। উৎপাদন বেশি হলেও বিক্রয় কম হওয়ায় বাজারে দরপতন দেখা দিয়েছে। কৃষকরা কাঁঠালের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না।
ভালুকা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুসরাত জামান বলেন, “ভালুকায় এবার কাঁঠালের উৎপাদন সন্তোষজনক। এ বছর ৩৮৫ হেক্টর জমিতে কাঁঠাল চাষ হয়েছে, যার আনুমানিক উৎপাদন ধরা হয়েছে প্রায় ৪৩ হাজার ৯০০ মেট্রিকটন। আমরা চেষ্টা করছি কীভাবে কাঁঠাল দিয়ে বিভিন্ন ধরনের পণ্য যেমন জেলি, চিপস তৈরি করা যায়। এতে কৃষকরা কাঁঠালের বাড়তি দাম পাবে।”
কৃষক ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ভালুকায় কোনো হিমঘর বা ফল সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় বিপাকে পড়ছেন তারা। কাঁঠাল সংরক্ষণ করতে না পারায় অনেক ফল আগেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তারা সরকারের কাছে দ্রুত হিমঘর স্থাপন ও বাজার ব্যবস্থাপনায় সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।