প্রকাশ: সোমবার, ৯ জুন, ২০২৫, ১:৩৯ পিএম

লস অ্যাঞ্জেলেসে অভিবাসন আইসিই অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও বিক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করেছে। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ শনিবার ও রবিবার সহিংসতায় রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হয়েছে।
রবিবার বিকেলে ডাউনটাউন লস অ্যাঞ্জেলেসের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারের কাছে বিক্ষোভকারীরা ন্যাশনাল গার্ড এবং ফেডারেল এজেন্টদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও অহিংস রাউন্ড ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও বিক্ষোভকারীরা প্রজেক্টাইল এবং কংক্রিটের টুকরা ছুড়েছে। এতে কমপক্ষে ৩৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন।
গভর্নর গ্যাভিন নিউজম এই সামরিক মোতায়েনকে উদ্দেশ্যমূলক উসকানিমূলক হিসেবে সমালোচনা করে বাতিলের আবেদন জানান। মেয়র কারেন বাসও ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনকে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটানোর কারণ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসও এই মোতায়েনকে ‘বিপজ্জনক’ বলে মন্তব্য করেন।
বিক্ষোভকারীরা শহরের বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করে যানজট সৃষ্টি করে এবং কয়েকটি যানবাহনে ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ক্যালিফোর্নিয়া হাইওয়ে পেট্রোলের সিদ্ধান্তে ডাউনটাউন এলাকা এবং ১০১ ফ্রিওয়ে কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হয়।
এক ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এলএ কাউন্টিতে আগামী ৩০ দিন ধরে আইসিই অভিযান চলবে। স্থানীয় শেরিফের ডেপুটি নিরাপত্তায় সহায়তা করলেও সরাসরি অভিবাসন আইন প্রয়োগে অংশ নিচ্ছেন না।
লস অ্যাঞ্জেলেসে চলমান এই উত্তেজনা ও সংঘর্ষে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং ফেডারেল সরকারের মধ্যে টানাপোড়েন ক্রমেই বাড়ছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর