প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ মে, ২০২৫, ৯:৪৯ পিএম আপডেট: ২০.০৫.২০২৫ ১০:১১ PM

মডেল ও অভিনেত্রী থেকে ইসলামী অনুশাসনে জীবনযাপন শুরু করা নাজনীন আক্তার হ্যাপি এবার স্বামী তালহা ইসলামের বিরুদ্ধে পারিবারিক নির্যাতনের অভিযোগে মামলা করেছেন। গর্ভাবস্থায় তালাক দেওয়াসহ সন্তানের স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন তিনি।
রোববার (তারিখ অনির্দিষ্ট) এক ফেসবুক পোস্টে হ্যাপি বলেন, “এই বাচ্চাটার নাম আরোয়া। জনাব তালহা বাবা হিসেবে স্বীকৃতি দেননি। আমি প্রেগন্যান্ট শুনেই তিনি তালাক দিয়ে দেন।”
অভিনেত্রী জানান, সন্তান জন্মের পরও তালহা কখনও দায়িত্ব নেননি এবং পরিচয় গোপন করে অন্যদের কাছে শুধু তার ছেলে সন্তানের কথা বলেন। হ্যাপি বলেন, “তালহা আমাকে প্রায়ই বলতেন, ‘এই বাচ্চাটা মনে হয় আমার না, ডিএনএ করে দেখব নাকি।’ এমন কথায় আমি মর্মাহত হতাম।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, “আমি অনেকবার অনুরোধ করেছি, বাচ্চার কথা ভেবে হলেও আমাকে স্ত্রী হিসেবে রাখতে। কিন্তু সে বলত, ‘মেয়েটা দেখতে তো হয়েছে ওর মার মতো, ভালো লাগে না।’ এ নিয়ে কথা বললে তিনি রেগে যেতেন।”
অভিযোগে বলা হয়, তালহা সন্তানকে এখনো স্বীকৃতি দেননি এবং আর্থিক সহযোগিতাও সীমিত মাত্রায় করেছেন। হ্যাপির ভাষায়, “মাসে মাসে সামান্য দান-খয়রাতের মতো টাকা দিয়েই সে মনে করে দায়িত্ব শেষ। অথচ ওই বাচ্চাকে জীবনে ৩-৪ বারও দেখতে যায়নি।”
হ্যাপি আরও দাবি করেন, তালহা তার ব্যক্তিগত জিনিসপত্র, এমনকি মোবাইল ফোনও নিয়ে গেছেন এবং তার আইনজীবীকে ফোন করে নিজের দাবিকৃত সম্পত্তি ফেরত চেয়েছেন। হ্যাপি বলেন, সে এতটা নিচে নেমেছে যে, আমার উপার্জিত টাকা দিয়ে এত বছর খেয়েছে আর এখন মালামাল ট্রাকে ভরে নিয়ে গেছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তালহা ইসলামের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্বদেশ প্রতিদিন/আইজেপি