প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৮ পিএম

বলিউড অভিনেতা গোবিন্দকে ঘিরে ব্যক্তিজীবন নিয়ে চলমান গুঞ্জনে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। স্ত্রী সুনীতা আহুজাকে ছাড়াই মুম্বাইয়ের বিখ্যাত ‘লালবাগচা রাজা’ গণেশ মণ্ডপে নবাগত অভিনেত্রী কোমল রানী স্বর্ণকারকে সঙ্গে নিয়ে হাজির হন অভিনেতা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় ধরা পড়েন গোবিন্দ ও কোমল রানী। এ সময় গোবিন্দের পরনে ছিল সাদা কুর্তা-পায়জামা। কোমল রানী ছিলেন লাল-হলুদ শাড়িতে। ক্যামেরার সামনে এসে গোবিন্দ ‘গণপতি বাপ্পা মোরিয়া’ স্লোগান দেন। অন্যদিকে কোমল হাত নেড়ে উপস্থিতদের শুভেচ্ছা জানান।
গোবিন্দের সঙ্গে কোমল রানীর এই উপস্থিতি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা চলছে। গত আগস্টে মুম্বাই বিমানবন্দরে দুজনকে একসঙ্গে দেখার পর থেকেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। তবে গোবিন্দ বা কোমল—কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি।
এর মধ্যে গোবিন্দের স্ত্রী সুনীতা আহুজার কয়েকটি মন্তব্যও সেই গুঞ্জনকে আরও আলোচনায় এনেছে। সম্প্রতি তিনি ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যে গোবিন্দকে ‘মেয়ের বয়সি একজনের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছেন’ বলে উল্লেখ করেন এবং তাকে ‘সুগার ড্যাডি’ বলেও কটাক্ষ করেন বলে ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
তবে মঙ্গলবারের ঘটনায় আরও একটি বিষয় নজর কেড়েছে। গোবিন্দ ও কোমল রানী মণ্ডপে যাওয়ার কিছুক্ষণ আগে একই গণেশ মণ্ডপে একাই প্রার্থনা করতে দেখা যায় সুনীতা আহুজাকে।
এদিকে অভিনেত্রী রাখী সাওয়ান্তের সঙ্গে এক ফোনালাপে সুনীতা দাবি করেছেন, গোবিন্দ ও কোমল রানী নাকি বিয়ের পরিকল্পনা করছেন। যদিও গোবিন্দের ম্যানেজার শশী সিনহা এ দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। তার ভাষ্য, দ্বিতীয় বিয়ের কোনো প্রশ্নই ওঠে না এবং গোবিন্দ ও সুনীতার মধ্যকার ভুল বোঝাবুঝি দ্রুত মিটে যাবে বলে তারা আশা করছেন।
১৯৮৭ সালে সুনীতা আহুজাকে বিয়ে করেন গোবিন্দ। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের পর ২০২৫ সালে তাদের বিচ্ছেদ নিয়ে গুঞ্জন ছড়ায়। সুনীতা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন বলেও তখন খবর প্রকাশিত হয়। পরে গণেশচতুর্থী একসঙ্গে উদযাপন করায় সেই গুঞ্জন অনেকটাই থেমে যায়। ২০২৬ সালে সুনীতা বিচ্ছেদের আবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গোবিন্দ ও কোমল রানীর সম্পর্ক নিয়ে অবশ্য এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে তাদের সম্পর্ক বা বিয়ের বিষয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন খবরকে আপাতত গুঞ্জন হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি