প্রকাশ: বুধবার, ৭ মে, ২০২৫, ২:০৫ পিএম

ইন্টারের মাঠ সান সিরোয় মঙ্গলবার রাতে রোমাঞ্চে ঠাসা এক লড়াই দেখল ফুটবল বিশ্ব। সান সিরোয় ইন্টারের সাম্প্রতিক ফর্ম যেমন বার্সার কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলার কথা ছিলো, ঠিক তেমনি দুর্দান্ত লামিল-রাফিনিহাদের সাম্প্রতিক ফ্রমে দেলরে চ্যাম্পিয়ন হওয়াটাও ছিলো ইন্টারের জন্য যথেষ্ট চিন্তার কারণ।
‘এস্তাদি অলিম্পিক লুইস কোম্পানিসে’ তো প্রথম লেগ ড্র হওয়ার পরপর বলেই বসলেন, ১০ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠতে হলে বার্সেলোনাকে ইতিহাস বদলাতে হবে। কারণ ইউসিএল সেমিফাইনালে ইন্টার মিলানের নিজেদের মাঠে হারার কোনো রেকর্ড নেই।
চ্যাম্পিয়নস লিগে ৯৭২ দিন অপরাজিত (১৫ ম্যাচের ১২টিতে জয়, ৩টিতে ড্র) থেকে ইয়ামাল-রাফিনিয়াদের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিলেন মার্তিনেজ-সোমার-ডামফ্রিসরা। প্রথমার্ধে দুই গোল করে এগিয়ে থাকা ইন্টার মিলানের বিপক্ষে সমতায় ফিরতে বার্সার সময় লাগে ৫৪ মিনিট।
এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ১৫ মিনিটের মধ্যে এরিক গার্সিয়া ও দানি ওলমোর গোলে সমতা ফেরে কাতালানরা, ৮৮ মিনিটে রাফিনিহার করা গোলে বার্সা লিড পেলেও ইন্টারের সেন্টারব্যাক ফ্রান্সেসকো আচেরবি করা অতিরিক্ত সময়ের গোলে স্তব্ধ হয়ে যায় ফ্লিক বাহিনী।
দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৬ সমতায় শেষ হওয়ায় ফাইনালিস্ট নির্ধারণী এই ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে, যাতে সফলতার কাব্য রচনা করে আপাতত ইন্টার ভক্তদের কাছে হিরো বনে যান ফ্রাত্তেসি। পরবর্তী সময়ে ইয়ামালরা অনেক চেষ্টা করলেও ভাগ্য দেবতা এবং সোমারের অনবদ্ধ দেওয়ালের কাছে নতজানু হয়েই এই যাত্রায় স্বপ্নভঙ্গ হয় ৫ বারের ইউসিএল জয়ী এই কাতালান বাহিনীর।
দুই লেগ মিলিয়ে ১৩ গোলের এই শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচ যৌথভাবে ইউসিএল এর সর্বোচ্চ এবং তর্কসাপেক্ষে বলা যায় এটি যে কোনো ফুটবল ফ্যানের হৃদকম্পন স্তব্ধ করা একটি সেমিফাইনাল।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম