প্রকাশ: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩৪ পিএম

উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড়। এখানে দিনের তুলনায় কমতে শুরু করেছে রাতের তাপমাত্রা। গত দুদিন ধরে জেলায় তাপমাত্রা ১৬ থেকে ১৭ ডিগ্রির গড়ে উঠানামা করছে। দিনের বেলায় ঝলমলে রোদ আর গরম আবহাওয়া থাকলেও রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ঠান্ডার তীব্র অনুভূতি। ভোরের দিকে অনুভূত হচ্ছে কুয়াশা মাখানো শীতের আমেজ। একই সাথে গভীর রাত থেকে নামছে কুয়াশা। সাধারনত উত্তরের এ জেলায় শীত আসে সারাদেশের তুলনায় আগে আর যায়ও সবার শেষে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল ৯০ শতাংশ। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে সুর্যের মুখ দেখা গেছে এবং ঝলমলে রোদ অনুভূত হচ্ছে।
এর আগে রোববার উত্তরের এ জেলাটিতে সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর রোববার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
জেলার সদর উপজেলার গড়িনাবাড়ি ইউনিয়নের বোদা পাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর বলেন, শীতের আবহাওয়া শুরু হতে আরও বেশ কিছুদিন বাকি থাকলেও, ইতিমধ্যে শীতের আমেজ দেখা দিতে শুরু করেছে। দিনের তুলনায় রাতে খানিকটা শীত অনুভূত হচ্ছে।
একই এলাকার ইজিবাইক চালক একরামুল বলেন, গরম কাপড় ছাড়া চলাচল করা যাচ্ছে না। একই সাথে রাতে কম্বল বা কাঁথা দিয়ে ঘুমাতে হচ্ছে।
ট্রাক চালক জহির বলেন, রাতে ভালোই ঠান্ডা পড়ে। সন্ধ্যা হতে মধ্য রাত পর্যন্ত তেমন কুয়াশা না থাকলেও মধ্য রাতের পর থেকে কুয়াশার তীব্রতা বাড়তে থাকে।যা সকাল অবধি বিদ্যমান থাকে। একারণে অনেক সময় সকালে গাড়ির হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হয়।
এদিকে আবহাওয়ার তারতম্যের জেলা জুড়ে দেখা দিয়েছে শীত জনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের সংখ্যা। আবহাওয়া পরিবর্তনে সর্দি কাশিসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে সব থেকে বেশি শিশু ও বয়স্করা।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, এ সময়টিতে দিন যতই অতিবাহিত হবে রাত ও দিনের তাপমাত্রা ততই পরিবর্তন হবে। একই সাথে বাড়তে শুরু করবে শীতের তীব্র অনুভূতি।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি