
একটি গ্রামকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে শুধু রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন কিংবা অবকাঠামো নির্মাণই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন মানুষের প্রতি মানুষের দায়িত্ববোধ, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সম্মিলিত উদ্যোগ। গ্রামের কেউ অসহায় হয়ে পড়লে তাঁর পাশে দাঁড়ানো, তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা, পরিবেশ রক্ষা কিংবা বিপদে-আপদে মানুষের পাশে থাকা—এসব উদ্যোগই একটি জনপদকে মানবিক করে তোলে। এমন ভাবনা থেকেই কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ওয়াহেদপুর গ্রামে গড়ে উঠেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘টিম ওয়াহেদপুর’।
‘আমাদের গ্রাম, আমাদের দায়িত্ব’—এই স্লোগানকে ধারণ করে সংগঠনটির সদস্যরা কাজ করছেন গ্রামের মানুষের কল্যাণে। অসহায় মানুষের জন্য ঘর নির্মাণ, বিশুদ্ধ পানির জন্য টিউবওয়েল স্থাপন, গ্রামীণ সড়কে সোলার লাইট বসানো, শিক্ষা বিস্তার, চিকিৎসাসেবা প্রদান, রক্তদান, দরিদ্র পরিবারকে বিয়েতে সহায়তা, গরিব ও অসহায় রোগীদের চিকিৎসায় সহযোগিতা, গ্রামের রাস্তাঘাট মেরামত করা, বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, পাঠাগার পরিচালনা, খেলাধুলার প্রসার থেকে শুরু করে মৃত ব্যক্তির দাফনকাজে সহযোগিতা—বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত রেখেছেন তাঁরা।
সংগঠনটির কার্যক্রমের মূল ভাবনা হলো, নিজের গ্রামের উন্নয়নে প্রত্যেকেরই কিছু না কিছু দায়িত্ব রয়েছে। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই স্থানীয় তরুণদের একত্র করে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ওয়াহেদপুরকে একটি উন্নত, পরিচ্ছন্ন ও আদর্শ গ্রাম হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে টিম ওয়াহেদপুর।
তরুণদের হাত ধরে যাত্রা
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৪ নম্বর সুবিল ইউনিয়নের ওয়াহেদপুর গ্রামে ২০২৫ সালের মার্চে যাত্রা শুরু করে টিম ওয়াহেদপুর। বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. ইফতেখার আহমেদ মাসুদের উদ্যোগে স্থানীয় তরুণদের নিয়ে গড়ে ওঠে সংগঠনটি। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই গ্রামের মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন সংগঠনটির সদস্যরা।
বর্তমানে সংগঠনটির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী। নিজেদের সময়, শ্রম ও সামর্থ্য অনুযায়ী তাঁরা বিভিন্ন সামাজিক কাজে অংশ নেন। কারও কাছে এটি অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর মাধ্যম, কারও কাছে নিজের গ্রামের প্রতি দায়িত্ব পালনের সুযোগ। আর এভাবেই ব্যক্তিগত উদ্যোগকে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে টিম ওয়াহেদপুর।
সংগঠনটির কার্যক্রমের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, গ্রামের মানুষের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা। কোথাও অসহায় পরিবারের আবাসনের প্রয়োজন, কোথাও সোলার লাইট বা বিশুদ্ধ পানির দরকার, কোথাও চিকিৎসার অভাব, আবার কোথাও পরিচ্ছন্নতা কিংবা শিক্ষাসংক্রান্ত সহায়তা—এসব ক্ষেত্রেই স্বেচ্ছাসেবীরা নিজেদের ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছেন।
অসহায় মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই ও খাবার পানি
মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্যতম নিরাপদ আশ্রয় ও বিশুদ্ধ পানি। কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে অনেক পরিবারের পক্ষে একটি নিরাপদ ঘর নির্মাণ বা টিউবওয়েল বসানোও কঠিন হয়ে পড়ে। এমন বাস্তবতায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে টিম ওয়াহেদপুর।
সংগঠনটির উদ্যোগে ইতোমধ্যে অসহায় মানুষের জন্য দুটি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি গ্রামের বিশুদ্ধ পানির সংকট দূর করতে ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করতে ২০টিরও বেশি টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে।
যাঁদের নিজেদের সামর্থ্যে একটি ঘর তৈরি বা পানির বন্দোবস্ত করা কঠিন, তাঁদের জন্য এমন উদ্যোগ পরম আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে। সংগঠনটির সদস্যদের কাছে মানবিকতার অর্থ শুধু সাময়িক সহায়তা দেওয়া নয়, বরং মানুষের জীবনযাত্রার স্থায়ী উন্নতি ঘটানো।
শিক্ষা প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা: মাদ্রাসা পরিচালনা ও শিক্ষাবৃত্তি
একটি আলোকিত সমাজ গঠনে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। এই উপলব্ধিকে সামনে রেখে ওয়াহেদপুর ইসলামীয়া আলিম মাদ্রাসার এবতেদায়ী শাখা পরিচালনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে সংগঠনটি। এখানে প্রায় ২০০ জন ছাত্র-ছাত্রী বিনামূল্যে লেখাপড়ার সুযোগ পাচ্ছে। মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখতে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতাদিসহ যাবতীয় পরিচালনা ব্যয় টিম ওয়াহেদপুরের পক্ষ থেকেই বহন করা হয়।
শুধু তা-ই নয়, শিক্ষার পথ যেন অর্থাভাবে বন্ধ না হয়, সেজন্য গ্রামের অনেক গরিব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীর লেখাপড়ার খরচও নিয়মিত প্রদান করছে সংগঠনটি। দরিদ্র পরিবারের সন্তানদের ঝরে পড়া রোধ করতে এই শিক্ষাবৃত্তি ও সহায়তা কার্যক্রম বিশেষ ভূমিকা রাখছে।
গ্রামের সড়কে আলো, বাড়ছে চলাচলের সুবিধা
গ্রামীণ জনপদে রাতের বেলায় সড়কে পর্যাপ্ত আলোর অভাব অনেক সময় চলাচলে অসুবিধা সৃষ্টি করে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর অন্ধকার সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এ সমস্যা বিবেচনায় ওয়াহেদপুর গ্রামের বিভিন্ন সড়কে ৫০টি সোলার লাইট স্থাপন করেছে টিম ওয়াহেদপুর।
সৌরবিদ্যুৎচালিত এসব বাতি গ্রামের সড়কে আলোর ব্যবস্থা তৈরিতে ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহারও উৎসাহিত করছে এ উদ্যোগ। গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন চলাচলকে আরও সুবিধাজনক করার পাশাপাশি স্থানীয় অবকাঠামোর উন্নয়নে এটি সংগঠনটির উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমগুলোর একটি।
স্বাস্থ্যসেবা, রক্তদান ও সামাজিক সহায়তা
টিম ওয়াহেদপুর কেবল গ্রামের অবকাঠামো বা পরিবেশ নিয়ে কাজ করছে না, বরং মানুষের বিপদে সরাসরি পাশে দাঁড়াচ্ছে। গ্রামে কোনো অসহায় মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা ও আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করেন সংগঠনটির সদস্যরা।
মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচাতে বা জরুরি প্রয়োজনে এই সংগঠনের অনেক স্বেচ্ছাসেবী নিয়মিত রক্তদান করে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। এ ছাড়া আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে যেসব পরিবার মেয়ের বিয়ে দিতে সমস্যায় পড়ে, সংগঠনটির পক্ষ থেকে সেই দরিদ্র পরিবারগুলোর বিয়েতেও নানাভাবে সহায়তা দেওয়া হয়।
বইয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়তে পাঠাগার
একটি সমাজের উন্নয়নে বই পড়ার অভ্যাস ও জ্ঞানচর্চার গুরুত্ব অপরিসীম। বই মানুষের চিন্তার জগৎকে প্রসারিত করে এবং নতুন কিছু জানার আগ্রহ তৈরি করে। গ্রামের মানুষের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে টিম ওয়াহেদপুরের আওতায় রয়েছে ‘ওয়াহেদপুর নূরনাহার পাঠাগার’। এখানে আগ্রহী পাঠকেরা নিয়মিত বই পড়ার সুযোগ পান।
পাঠাগারটির মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের জ্ঞানচর্চার সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে বই পড়ায় উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর সময়ে বই পড়ার অভ্যাস ধরে রাখা এবং তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে এমন উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
ফুটবল একাডেমিতে তরুণদের এগিয়ে চলা
তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখতে খেলাধুলার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। খেলাধুলা শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি শৃঙ্খলা, দলগত মনোভাব, সহনশীলতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশেও সহায়তা করে।
ওয়াহেদপুর গ্রামের তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে রয়েছে ‘টিম ওয়াহেদপুর ফুটবল একাডেমি’। এখানে আগ্রহীরা ফুটবল শেখা, অনুশীলন এবং নিয়মিত খেলাধুলায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান। এর মাধ্যমে গ্রামের তরুণরা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে থেকে সুস্থ বিনোদনের ক্ষেত্র খুঁজে পাচ্ছে।
দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরতার উদ্যোগ
শুধু শিক্ষিত হওয়া নয়, জীবিকা নির্বাহের উপযোগী দক্ষতা অর্জনও বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
টিম ওয়াহেদপুরের উদ্যোগের মধ্যে তরুণদের দক্ষতা ও আগ্রহ অনুযায়ী কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ তৈরির বিষয়টিও রয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে তরুণেরা নিজেদের পছন্দ ও সক্ষমতা অনুযায়ী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে, যা ভবিষ্যতে আত্মকর্মসংস্থান কিংবা কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করতে সহায়ক হবে।
শেষযাত্রায় মানুষের পাশে স্বেচ্ছাসেবীরা
টিম ওয়াহেদপুরের মানবিক কর্মকাণ্ডের একটি বিশেষ দিক হলো, গ্রামের কোনো ব্যক্তি মারা গেলে সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবীরা দাফনকাজ ও কবর খননে সরাসরি সাহায্য করেন। শোকাহত পরিবারের কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ানো এবং প্রয়োজনীয় কাজে সহায়তা করাকে তাঁরা সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে দেখেন।
প্রিয়জনের মৃত্যুতে একটি পরিবারকে মানসিক শোকের পাশাপাশি নানা আয়োজন সামলাতে হয়। এমন সময়ে স্বেচ্ছাসেবীদের নিঃস্বার্থ সহযোগিতা পরিবারের জন্য বড় স্বস্তি হয়ে আসে। এ ছাড়া গ্রামের কবরস্থান ও মসজিদ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতেও নিয়মিত কাজ করেন সংগঠনটির সদস্যরা।
পরিচ্ছন্ন গ্রাম ও পরিবেশ রক্ষায় উদ্যোগ
একটি সুন্দর গ্রামের পরিচয় শুধু তার অবকাঠামোতে নয়; পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা এবং মানুষের সচেতনতার মধ্যেও তা প্রকাশ পায়। এ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে টিম ওয়াহেদপুর বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
গ্রামের সড়ক, মসজিদ ও কবরস্থান পরিষ্কার রাখা থেকে শুরু করে বৃক্ষরোপণ—বিভিন্ন উদ্যোগের মধ্য দিয়ে নিজেদের আশপাশের পরিবেশের দায়িত্ব নিজেরাই নেওয়ার বার্তা দিচ্ছে সংগঠনটি। সবুজায়ন বাড়ানোর এই উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।
‘কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়, লক্ষ্য মানবিক কাজ’
টিম ওয়াহেদপুরের প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. ইফতেখার আহমেদ মাসুদ বলেন,
“আমাদের গ্রাম, আমাদের দায়িত্ব। তাই আমি আমাদের গ্রামের তরুণদের নিয়ে এই মানবিক সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেছি, যেন সবাই মিলেমিশে এই গ্রামকে একটি উন্নত গ্রামে পরিণত করতে পারি। সমাজের যেকোনো দরকারে আমাদের টিম সব সময় পাশে আছে এবং কাজ করে যাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন,
“আমরা আমাদের গ্রামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে কাজ করব। এটি কোনোভাবেই রাজনৈতিক সংগঠন নয়। শুধু মানবিক কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য। পাশাপাশি সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমাদের গ্রামকে উন্নত ও মডেল গ্রাম হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা বিশ্বাস করি, সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করলে ওয়াহেদপুরকে একটি সুন্দর, উন্নত ও আদর্শ গ্রাম হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।”
সম্মিলিত উদ্যোগে মডেল গ্রাম গড়ার প্রত্যাশা
অসহায় মানুষের জন্য ঘর নির্মাণ, বিশুদ্ধ পানির টিউবওয়েল ও সোলার লাইট স্থাপন, মাদ্রাসা পরিচালনা ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার খরচ বহন, চিকিৎসাসেবা, রক্তদান, দরিদ্রদের বিয়েতে সহায়তা, পাঠাগার ও ফুটবল একাডেমি পরিচালনা, বৃক্ষরোপণ এবং শেষযাত্রায় দাফনকাজে সহযোগিতার মতো কাজগুলো টিম ওয়াহেদপুরের মানবিকতার পরিধি তুলে ধরে।
‘আমাদের গ্রাম, আমাদের দায়িত্ব’—এই অঙ্গীকারকে সামনে রেখে তরুণদের এই সম্মিলিত প্রয়াস একদিন ওয়াহেদপুরকে দেশজুড়ে একটি উন্নত ও আদর্শ ‘মডেল গ্রাম’ হিসেবে পরিচিতি এনে দেবে—এমনটাই প্রত্যাশা গ্রামবাসীর।
স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ