বুধবার ● ২১ অক্টোবর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● রাস্তার পাশের পিঠা-পুরির দোকানকেও নিতে হবে নিবন্ধন      ● নগরীতে অজ্ঞাতনামা যুবতীর অর্ধগ      ● ফের চালু হচ্ছে ডিভি লটারি, ১ নভেম্বর থেকে আবেদন শুরুর নির্দেশ      ● রাজধানীর ৩৩ স্থানে প্রতিমা বিসর্জন, নিরাপত্তায় ১৬ হাজার পুলিশ      ● ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: খাদ্যমন্ত্রী      ● পূজামণ্ডপে নেচে-গেয়ে এএসআই ক্লোজড      ● অনলাইনে ও এসএমএসে যেভাবে জানবেন এইচএসসির ফল      ● ইকোনমিক জোন ও বন্দর পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী      ● ফ্রান্সে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত      ● মদ ও ইয়াবাসহ আটক ৭      ● প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভার্চুয়াল উদ্বোধন      ● প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার      
রাস্তার পাশের পিঠা-পুরির দোকানকেও নিতে হবে নিবন্ধন
স্বদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫৭ পিএম আপডেট: ২১.১০.২০২৬ ৫:৫৯ PM

রাস্তার পাশের পিঠা, পুরি-পিঁয়াজুর দোকান থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান ও খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধনের আওতায় আনছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)।


আগামী ১ নভেম্বর থেকে নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন ও লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যাবে। বিধান অনুযায়ী, যেসব ব্যবসার নিবন্ধন বা লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক, সেগুলো প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া পরিচালনা করলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।


বুধবার বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


গত ১৬ জুলাই সরকারি গেজেটে প্রকাশিত ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’-এ খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন ও লাইসেন্সের বিষয়ে এসব বিধান রাখা হয়েছে। নতুন প্রবিধানমালার আওতায় খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন, ব্যবসায়িক লাইসেন্স, স্থাপনার লাইসেন্স, খাদ্য উৎপাদন ও আমদানির লাইসেন্স এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত খাদ্যপণ্যের নিবন্ধনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।


নিবন্ধনের আওতায় আসছে ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা


প্রবিধানমালা অনুযায়ী, নির্ধারিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও স্থাপনাকে নিবন্ধন নিতে হবে। এই তালিকায় রয়েছে রেস্তোরাঁ, বেকারি, ফলের রসের দোকান, পেস্ট্রি শপ, ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠান, প্যাকেটজাত খাবার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, মিষ্টির দোকান, দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং নির্ধারিত খাদ্যপণ্যের আমদানিকারক। পাশাপাশি পাইকারি মুদি ব্যবসা, খাদ্য সংরক্ষণাগার, কোল্ড স্টোরেজ এবং ভোজ্যতেল ও ভোজ্য লবণ উৎপাদনসংশ্লিষ্ট নির্ধারিত ব্যবসাও নিবন্ধনের আওতায় আসবে। এমনকি রাস্তার পাশে পিঠা, পুরি ও পেঁয়াজু বিক্রির দোকানও এই বাধ্যবাধকতার বাইরে থাকবে না।


বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের জন্যও লাগবে লাইসেন্স


শুধু সাধারণ খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধনই নয়, বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ, আমদানি ও বিপণনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য লাইসেন্স নিতে হবে। স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য এবং নিউট্রাসিউটিক্যালসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত খাদ্যপণ্য এই ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শিশুদের ফর্মুলা দুধের পাশাপাশি বয়স্ক ব্যক্তি এবং নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য তৈরি বিশেষ খাবারের ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট বিধান প্রযোজ্য হবে।


বংশগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত বা সংশোধিত খাদ্য, জৈব খাদ্য, কিরণ-সম্পাতকৃত খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য এবং অভিনব খাদ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধান অনুসারে নিবন্ধন বা লাইসেন্স নিতে হবে। কোনো খাদ্যপণ্য বাজারজাত করার সময় স্বাস্থ্যগত উপকার বা রোগের ঝুঁকি কমানোর দাবি করা হলে সে ক্ষেত্রে ‘নিরাপদ খাদ্য (বিজ্ঞাপন ও দাবি) প্রবিধানমালা, ২০২৫’ অনুসরণ করতে হবে।


প্রথমবার নিবন্ধন বিনামূল্যে, মেয়াদ তিন বছর


নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণের জন্য নির্ধারিত ফি পরিশোধের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শর্ত পূরণ করে আবেদন করতে হবে।


বিএফএসএ জানিয়েছে, নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর। মেয়াদ শেষ হলে তা নবায়ন করতে হবে। তবে নির্ধারিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার প্রথমবার নিবন্ধন বিনামূল্যে করা হবে।


অন্যদিকে, বিশেষায়িত খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের স্থাপনার লাইসেন্সের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানের আয়তনের ভিত্তিতে। ১০০ বর্গমিটার বা তার কম আয়তনের প্রতিষ্ঠানের জন্য লাইসেন্স ফি ১০ হাজার টাকা। আর ১০ হাজার বর্গমিটারের বেশি আয়তনের প্রতিষ্ঠানের নতুন লাইসেন্স নিতে ফি দিতে হবে ৬০ হাজার টাকা।


খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে থাকবে নিবন্ধন নম্বর


নতুন ব্যবস্থায় খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বিএফএসএর নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করার বিধানও রাখা হয়েছে। এর ফলে প্যাকেটে থাকা নম্বরের মাধ্যমে ভোক্তারা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন সম্পর্কে জানতে পারবেন। একই সঙ্গে কোনো খাদ্যপণ্য বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে অভিযোগ থাকলে নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করেও তা জানানো যাবে।


প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয়ে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আবেদন জমা দেওয়া যাবে। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে শতভাগ অনলাইন আবেদন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।


বিএফএসএ বলছে, নির্ধারিত ক্ষেত্রে নিবন্ধন বা লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও তা ছাড়া খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এ কারণে সংশ্লিষ্ট খাদ্য ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নিবন্ধন ও লাইসেন্স নেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।


কর্তৃপক্ষের মতে, নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে খাদ্য ব্যবসায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, খাদ্য উৎপাদন ও বিপণনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।




স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ







Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close