প্রকাশ: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ পিএম

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির দুই প্রার্থীর মধ্যে একজন সরে দাঁড়ানোয় দলটির চূড়ান্ত প্রার্থী নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা অনেকটাই কেটে গেছে। জেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. ওবায়দুল্লাহ মাসুদ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় মির্জা ফয়সল আমিনের ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পথ এখন প্রায় পরিষ্কার।
সোমবার (৫ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মামুনুর রশিদ। তিনি জানান, দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান দেখিয়ে ওবায়দুল্লাহ মাসুদ নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির দুই নেতা ওবায়দুল্লাহ মাসুদ ও মির্জা ফয়সল আমিনসহ ছয় প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
দুই নেতার মনোনয়ন বৈধ হওয়ার পর থেকেই বিএনপির দলীয় প্রতীক ‘ধানের শীষ’ শেষ পর্যন্ত কার হাতে যাচ্ছে, তা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছিল।
মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়ার পর ওবায়দুল্লাহ মাসুদ জানিয়েছিলেন, একই দিনে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে দুজনকেই দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁরা মনোনয়নপত্র জমা দেন। নির্বাচন কমিশনে চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম পাঠানোর পর একজন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন এবং অন্যজন দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবেন—এমন কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।
সোমবার মাসুদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফয়সল আমিনের নাম পাঠানোর বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত হয়েছে। এখন নির্বাচন কমিশনের কাছে দলের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম জমা দেওয়া এবং ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দের আনুষ্ঠানিকতা বাকি।
এদিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির পাশাপাশি আরও চার প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হয়েছে। তাঁরা হলেন—১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ৭ অক্টোবর। পরদিন ৮ অক্টোবর প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপরই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার।
আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আসনটির সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী এলাকার মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন।
স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ