
রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ আহম্মেদ (৫১) নামের এক মার্কেটিং কনসালট্যান্টের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে ধানমন্ডি ১০ নম্বর সড়কের পাশে লেকপাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
লেকের পানিতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জাভেদ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকে বসবাস করতেন। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন লেকের পানিতে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।
পরে ধানমন্ডি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. গফুরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে তার পরিচয় জানা যায়নি। পরে সঙ্গে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি জাভেদের বলে নিশ্চিত করেন।
কিছুদিন ধরে বেকার ছিলেন জাভেদ
জাভেদের স্ত্রী শাহানা জাবিন খান পুলিশকে জানিয়েছেন, তার স্বামী বেশ কিছুদিন ধরে বেকার ছিলেন। এ কারণে তিনি আর্থিক সংকটের মধ্যেও ছিলেন।
তবে জাভেদ কখন ধানমন্ডি লেকে গিয়েছিলেন এবং কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
মহাখালীতে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
এদিকে রাজধানীর মহাখালীর চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায় বাসের ধাক্কায় সোহেল রানা নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোহেল মোটরসাইকেল নিয়ে যাচ্ছিলেন। চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায় পৌঁছালে একটি বাস তার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত চলে যায়। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান।
পালিয়ে গেছে বাসটি
বনানী থানার পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সড়কের মাঝখান থেকে সোহেলের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে তার পরিচয় নিশ্চিত করেন।
নিহত সোহেল রানার বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায়। তিনি ঢাকার মোহাম্মদপুরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন।
দুর্ঘটনার পর দ্রুত চলে যাওয়া বাসটি তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। বাসটি শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি