প্রকাশ: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:০০ পিএম

১. প্রতিদিন হাঁটার অভ্যাস
শারীরিক প্রশিক্ষণ শুরু করার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হলো হাঁটা। নিয়মিত হাঁটা হৃদ্পিণ্ডের স্বাস্থ্য উন্নত করে, অস্থিসন্ধির সচলতা বাড়ায়, মেজাজ ভালো রাখে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এটি বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে শ্লথ করতেও দারুণ কার্যকরী। নিজের বর্তমান সামর্থ্য অনুযায়ী শুরু করে ধীরে ধীরে হাঁটার পরিমাণ বাড়াতে পারেন।
২. বার্ধক্য রোধে ওয়েট ট্রেনিং
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পেশির ক্ষয় ও হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়ার প্রবণতা রোধ করতে স্ট্রেংথ ট্রেনিং বা ওয়েট ট্রেনিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সপ্তাহে অন্তত দুবার ডাম্বেল কিংবা রেজিস্ট্যান্স ব্যান্ড ব্যবহার করে এই ব্যায়াম করা উচিত। এটি পেশির ভর ও হাড়ের শক্তি বজায় রাখে, মেটাবলিজম বাড়ায় এবং বয়সের সঙ্গে সঙ্গে আঘাত পাওয়ার ঝুঁকি কমায়।
৩. খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন
ব্যায়াম ও মানসিক চাপের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পুষ্টির ভূমিকা অপরিসীম। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অন্তত দুটি উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার রাখা উচিত। পর্যাপ্ত প্রোটিন পেশি মেরামত ও শরীরের চর্বির স্বাস্থ্যকর মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।
৪. ঘরে তৈরি খাবারের ওপর জোর
বাইরের বা প্রক্রিয়াজাত খাবারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ঘরে রান্না করা খাবার খাওয়ার অভ্যাস করা সুস্বাস্থ্যের অন্যতম চাবিকাঠি। বাড়িতে খাবার তৈরি করলে উপকরণের মান, পরিমাণ এবং রান্নার পদ্ধতির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে। ফলে অতিরিক্ত ক্যালোরি, লুকানো চিনি ও অস্বাস্থ্যকর চর্বি গ্রহণের আশঙ্কা কমে যায় এবং নিজস্ব স্বাস্থ্য লক্ষ্য অনুযায়ী খাবার বেছে নেওয়া যায়।
৫. ঘুমের অভ্যাস ও রুটিন ঠিক করা
শরীরকে সুস্থ ও নতুন রূপ দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত জরুরি। প্রতিদিন রাতে সাত ঘণ্টার বেশি ঘুমানো এবং নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস গড়ে তোলা দরকার। সঠিক ঘুম পেশির পুনর্গঠন, হরমোন নিয়ন্ত্রণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানসিক স্বচ্ছতা বাড়াতে সরাসরি সাহায্য করে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি