প্রকাশ: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৮ পিএম

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক পালটাপালটি হামলা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে। কোনো পক্ষ সহজে পিছু না হটলে সামরিক সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থা ও জ্বালানি নিরাপত্তার ওপরও চাপ বাড়তে পারে।
জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্য অধ্যয়ন কর্মসূচির পরিচালক সিনা আজোদি মনে করেন, রাজনৈতিক সমাধান না হলে সংঘর্ষ আরও বাড়তে পারে। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে, অন্যদিকে ইরানও অবরোধ প্রতিরোধে পালটা চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারে।
তেহরানের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটিজিক স্টাডিজের বিশ্লেষক আলী আকবর দারেইনির মতে, ইরানি তেল ট্যাংকারে মার্কিন হামলা তেহরানকে আরও কঠোর প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দিতে পারে। ইরান অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সব মিলিয়ে, হরমুজ প্রণালি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সাম্প্রতিক উত্তেজনা এখন শুধু দুই দেশের সামরিক সংঘাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে এর বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। তাই সংঘাত নিয়ন্ত্রণে কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং উত্তেজনা কমানোর পদক্ষেপ এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি