প্রকাশ: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:৪৩ পিএম

পঞ্চগড়ে সশস্ত্রবাহিনী দিবস উদ্যাপন
পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে সশস্ত্রবাহিনী দিবস উদ্যাপিত হয়েছে। প্রতিরক্ষা অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক সেবা সংঘের আয়োজনে শুক্রবার(২১ নভেম্বর) সকালে কর্মসূচির শুরুতে কার্যালয় চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা ও সশস্ত্র বাহিনী পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের উপর গুরুত্বারোপ করে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তমিজ উদ্দীন।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মো. মোস্তফা কামাল সরকার(ফারুক) এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বোর্ডের অন্যতম সদস্য ও উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি এ.জেড.এম বজলুর রহমান (জাহেদ)। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক সেবা সংঘের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত ল্যা : কর্পোরাল মো. আব্দুল আলী(সাকি), হিসাব রক্ষক অবসরপ্রাপ্ত ল্যা : কর্পোরাল নিত্যানন্দ বর্মন, অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মো. রেজাউল করিম, মো. সিরাজুল ইসলাম, মো. তাহেরুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত কর্পোরাল মো. একরামুল হক প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর এই দিনে বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা এবং ভারতীয় মিত্র বাহিনী সম্মিলিতভাবে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণের সূচনা করে। যার ফলশ্রুতিতে মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয় অর্জন হয়। বিশ্বের মানচিত্রে মাথা উঁচু করে আত্মপ্রকাশ ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী দিবস প্রতি বছর ২১ নভেম্বর পালিত হয়। দিনটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিক স্মরণ নয়- এটি বীরত্ব, আত্মত্যাগ, সম্মান ও স্বাধীনতার গল্প। স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত এই দিনটি বাঙালি জাতির হৃদয়ে গর্বের অন্যতম প্রতীক হয়ে আছে। কারণ এটি সেই দিন- যেদিন প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনী একত্রে মুক্তিযুদ্ধে সংগঠিত আক্রমণ পরিচালনা করেছিল। এই সমন্বিত অভিযানের মধ্য দিয়েই গড়ে ওঠে একটি একতাবদ্ধ সামরিক কাঠামো, যা পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ নিয়াজ