আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী, দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. এম এ কাইয়ুম বলেছেন, শ্রমজীবী মানুষের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা শুধু রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, এটি মানবিক দায়িত্ব। শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবসময় পাশে আছে বিএনপি।
আজ বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) ফকিরখালীর গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “জনগণের নিরঙ্কুশ সমর্থনে সরকার গঠন করতে পারলে দুঃখ-দুর্দশাগ্রস্ত শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও জীবনমান উন্নয়নে বিএনপির অঙ্গীকার রয়েছে। বিএনপি সব সময় শ্রমিকদের নিরাপত্তা, অধিকার ও জীবনমান উন্নয়নে অতীতে পাশে ছিলো, আগামীতেও পাশে থাকবে। এলাকার শ্রমিকরা যেন তাদের ন্যায্য অধিকার পেতে পারেন এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তায় সকল ধরনের সহায়তা ঢাকা-১১ আসনে অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির এই সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বলেন, “১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া বাড্ডা এলাকায় ১৩৮৫ একর জমি সরকারি অধিগ্রহণ মুক্ত করেন। যার ফলশ্রুতিতে আজ বাড্ডা এলাকার রাস্তাঘাট, দালাল কোঠাসহ বড় বড় অট্টালিকা গড়ে উঠে। এছাড়াও গড়ে উঠেছে নানা ধরনের ফ্যাক্টরি তাই আজ আপনারা কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। বিএনপির আমলে বেগম জিয়ার নেতৃত্বে হাত ধরে যে উন্নয়ন শুরু হয়েছিলো আগামীতেও তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় সে ধারা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”
মুদ্রাস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির চাপ থেকে দেশের শ্রমজীবী মানুষকে রক্ষা করতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে হবে উল্লেখ করে ড. এম এ কাইয়ুম আরও বলেন, “দেশের শ্রমিকদের আধুনিক, নিরাপদ ও দক্ষ করতে হলে তাদের ন্যায্য অধিকার, সামাজিক নিরাপত্তা, চিকিৎসা সুবিধা এবং আয়ের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে শ্রমজীবী মানুষের মর্যাদা, ন্যায্য মজুরি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বিএনপি।”
মালিকদের সুবিধা দিতে গিয়ে সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছে বিগত স্বৈরাচার সরকার উল্লেখ করে ড. এম এ কাইয়ুম আরো বলেন, “শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও মানোন্নয়নে কর্মক্ষেত্রে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহ, পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ প্রদান এবং আইনগত ও সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা প্রয়োজন। যা এর আগে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে করেছিল।”
ঢাকা ১১ আসনের মাটি ও মানুষের নেতা ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, “আন্দোলন সংগ্রামে শ্রমিকদের ভূমিকা ছিল। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপি সবসময় পাশে ছিল এবং আছে। এ দেশে সর্বপ্রথম শ্রমিকদের মূল্যায়ন করেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এর ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন খালেদা জিয়া। ইনশাআল্লাহ আগামীতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।”
বৃহস্পতিবার ফকিরখালীর গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির গণসংযোগে মালিক ও শ্রমিকদের পক্ষ থেকে ঢাকা ১১ আসনের মাটি ও মানুষের নেতা ড. এম এ কাইয়ুমকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।