ম্যাচের শুরুতে বল দখলে আধিপত্য ছিল ভারতের। তবে ১১ মিনিটেই বাঁ দিক থেকে রাকিব হোসেনের নিখুঁত পাস ঠান্ডা মাথায় জালে পাঠান শেখ মোরসালিন। লাল-সবুজ জার্সিতে এটি তার সপ্তম গোল, যা হয়ে ওঠে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেওয়া মুহূর্ত।
৩৪ মিনিটে তপু বর্মণ ও ভারতের বিক্রমের সংঘর্ষে মাঠে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হাতাহাতির ঘটনায় দুজনকেই হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। এর আগেই বাংলাদেশ রক্ষণে বড় ভুলে গোলের ঝুঁকিতে পড়লেও হামজা চৌধুরী হেড করে বিপজ্জনক ক্রস ক্লিয়ার করেন।
প্রথমার্ধের শেষে হামজার দূরপাল্লার শট অল্পের জন্য বাইরে গেলে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ হাতছাড়া হয়। তবুও বিরতিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয়ার্ধে ভারত আক্রমণের চাপ বাড়ায়। কয়েকটি অর্ধ-সুযোগ তৈরি করলেও সাদ উদ্দিন, তপু বর্মণ ও বদলি হিসেবে নামা শাকিল আহাদের দৃঢ় রক্ষণে আক্রমণ ভেস্তে যায়। ৬০ মিনিটে বল দখলে এগিয়ে থাকলেও স্কোরলাইনে পিছিয়ে ছিল ভারত।
৮৩ মিনিটে ভারতের এক ডিফেন্ডারের হাতে বল লাগলে বাংলাদেশ জোরালোভাবে পেনাল্টি দাবি করে। তবে রেফারি তা নাকচ করেন। এরপরও বাংলাদেশ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে।
শেষ দিকে কোচ মাঠে নামান শাহরিয়ান ইমন ও তাজ উদ্দিনকে। মাঝমাঠের সাবলীলতা ও রক্ষণের দৃঢ়তায় যোগ করা সময়েও ভারত গোলের সুযোগ পায়নি।
শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে স্টেডিয়ামে শুরু হয় উল্লাস। ২২ বছর পর ভারতের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ—যেখানে অবদান রাখেন মোরসালিন, হামজা এবং পুরো দল।