প্রকাশ: রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৩:৫৯ পিএম

সময় বদলায়, ঋতু বদলায়, মানুষ বদলায় — কিন্তু ছবির ফ্রেমে বন্দি একটি মুহূর্ত চিরকাল অমলিন থেকে যায়। সেই মুহূর্তটিকে চিরস্থায়ী করে তোলেন একজন আলোকচিত্রী। এমনই একজন প্রতিভাবান আলোকচিত্রী, মীরসরাইয়ের গর্ব — নুর উদ্দিন।
অনেকে তাঁকে বলেন ভবঘুরে ফটোগ্রাফার, কারণ তিনি থেমে থাকতে জানেন না। তাঁর ঘর হলো পুরো বাংলাদেশ পাহাড়, নদী, সমুদ্র, জনপদ, গ্রাম আর শহরের গলি। তিনি বিশ্বাস করেন, “প্রতিটি ভোর, প্রতিটি মুখ, প্রতিটি মেঘেরও আলাদা গল্প আছে, যা কেবল লেন্স দিয়েই শোনা যায়।”
বাংলাদেশের প্রায় ৫৮টি জেলার সৌন্দর্য ধরা পড়েছে তাঁর ক্যামেরায়। তাঁর ছবিতে শুধু প্রকৃতির রূপ নয়, ফুটে ওঠে মানুষের হাসি, শ্রম, সংগ্রাম আর ভালোবাসার ছাপ। প্রতিটি ফটোগ্রাফ যেন এক একটি গল্প, এক একটি কবিতা, যা বলে “এই দেশটাই আসলে আমার সবচেয়ে বড় ক্যানভাস।”
তাঁর তোলা ছবি ইতোমধ্যেই পেয়েছে দেশ-বিদেশের স্বীকৃতি। বিভিন্ন সময়ে তাঁর কাজ স্থান পেয়েছে ও বিক্রি হয়েছে প্রথম আলো, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ পূর্বকোণ, গ্রামীণফোন, টেকনোসহ নানা প্রতিষ্ঠানে। তাঁর লেন্সে ধরা বাংলাদেশ যেন এক নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা এক অনন্য স্বপ্নরাজ্য।
পুরস্কার, প্রশংসা আর প্রদর্শনীর আলোয় আলোকিত হলেও নুর উদ্দিন রয়ে গেছেন মাটির কাছেই। তাঁর জন্ম চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ১২ নম্বর খৈয়াছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম পোলমোগরা গ্রামের বড়তাকিয়ায়।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ