
শোভাযাত্রা
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি গজারিয়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছ।
শনিবার (৮ নভেম্বর)বিকাল সাড়ে ৩ টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া অংশের ভবেরচর বাসষ্ট্যান্ডে বারাকাহ রেস্তোরা সংলগ্ন প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা ও সভা শেষে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
গজারিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও টেংগারচর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো: ইসহাক আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠান শুরুর আগে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন এলাকা থেকে ব্যান্ড পার্টি ও বাদ্য-বাজনা নিয়ে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা অনুষ্ঠান স্হলে আসেন। এ সময় পার্শ্ববর্তী মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ -৩ আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী কামরুজ্জামান রতন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামরুজ্জামান বলেন, আমাদের সকল বিভেদ ভুলে দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও নির্দেশনা মেনে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে।
আরো বক্তব্য দেন- ভবেরচর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির আহবায়ক সদস্য অধ্যাপক একেএম গিয়াসউদ্দীন আহম্মেদ, জেলা কৃষকদলের আহবায়ক মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম, বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম মাসুম, মাসুদ ফারুক,গজারিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক দেওয়ান হারুন রশীদ, মুক্তার হোসেন, থানা বিএনপির সদস্য মো: ফিরোজ আলম ও ভবেরচর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব নুরুল আমিন সরকার, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নাজির আহম্মেদ সিকদার,যুগ্ম আহবায়ক নজরুল মেম্বার, কৃষক দলের উপজেলা আহবায়ক রাসেল দেওয়ান, সদস্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন সরকার, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মিজানুর রহমান, মহিলা দলের সভাপতি আইভী আক্তার ও সাধারণ সম্পাদক লাভলী আক্তার প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের ভবেরচর বাসষ্ট্যান্ড থেকে গজারিয়া থানা ও স্বাস্হ্যকমপ্লেক্সের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে ভবেরচর বাজার সংলগ্ন সেতুতে গিয়ে শেষ হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ৭ নবেম্বর সিপাহী-জনতা ঐতিহাসিক বিপ্লব ঘটিয়েছিল, যা দেশের তৎকালীন রাজনীতির গতিধারা পালটে দিয়ে দেশ ও জাতিকে নতুন পরিচয়ে অভিষিক্ত করেছিল।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরবর্তী সেনা অভ্যুত্থান ও পাল্টা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশে যখন চরম নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি বিরাজ করছিল, তখন সিপাহি-জনতার মিলিত ঐক্যের বিপ্লব দেশ ও জাতিকে অনাকাঙ্ক্ষিত শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিয়েছিল। এর মধ্য দিয়ে সাময়িক বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন স্বাধীনতার ঘোষক তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান।
স্বদেশ প্রতিদিন/ নিয়াজ