প্রকাশ: রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:৩০ AM

সংগৃহীত ছবি
বেতন গ্রেড উন্নয়নসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে নামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে। এছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেডও ব্যবহার করা হয়। এতে অন্তত ১১০ জন শিক্ষক আহত হয়ে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
শনিবার রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় দাবিগুলো বাস্তবায়নের দাবিতে এই আন্দোলনে অংশ নেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
ঢামেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহতদের সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার শিক্ষক আল মামুনকে (৪০) ভর্তি করানো হয়েছে। অন্যান্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন।
ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আন্দোলন চলাকালে শতাধিক আহতকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বেশিরভাগই টিয়ারগ্যাসে শ্বাসকষ্ট, মাথায় আঘাত বা হাত-পা ঘষে যাওয়ার মতো চোট পেয়েছেন। তবে শুনেছি এ ঘটনায় এক শিক্ষককে ভর্তি করা হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন (আরএস) ডা. মোস্তাক আহমেদ জানান, শাহবাগের ঘটনায় প্রায় শতাধিক আহত ব্যক্তি হাসপাতালে এসে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ২০ জনের শরীরে ছোট ধাতব বলের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যার বেশিরভাগই পায়ে লেগেছে। চিকিৎসা শেষে সবাই হাসপাতাল থেকে চলে গেছেন।
স্বদেশ প্রতিদিন/ নিয়াজ