প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৩:৫৪ পিএম

প্রতীকী ছবি
ইসলামী শরীয়তের বিধান অনুযায়ী ‘উকিল বাপ’ নামে কোনো অভিভাবকত্ব নেই। মেয়ের পিতা জীবিত থাকলে তিনিই একমাত্র বৈধ অভিভাবক হিসেবে বিবেচিত হন। আর পিতা না থাকলে, শরীয়তের নিয়মেই নির্ধারিত হয় কোন আত্মীয় কোন পর্যায়ে অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করবেন।
তবে মেয়ের অভিভাবকের নির্দেশে তার অনুপস্থিতিতে তার পক্ষ থেকে বিয়ের প্রস্তাব কবুলের জন্য কাউকে প্রতিনিধি নির্ধারণ করলে তাকে শরিয়তের দৃষ্টিতে উকিল বলা হয়।
উকিল অর্থ প্রতিনিধি, মুখপাত্র। এই উকিল কখনোই বাবা হতে পারেন না। অনাত্মীয় কেউ উকিল হওয়ার দ্বারা তার সঙ্গে কোনো ধরনের আত্মীয়তাও তৈরি হয় না।
যদি মেয়ের গায়রে মাহরামদের কাউকে উকিল বানানো হয়ে থাকে তাহলে সে আজীবন গায়রে মাহরামই থাকবে। উকিল হওয়ার দ্বারা বিধান পরিবর্তিত হবে না। বিবাহ সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথেই তার প্রতিনিধিত্বের মেয়াদও শেষ হয়ে যায়।
সামাজিকতার অজুহাতে মুসলিম নারীদের সারাজীবন কোনো উকিলের সাথে সাক্ষাৎ করা শরিয়ত মতে স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ। একইভাবে, কোনো বাস্তব প্রয়োজন ব্যতীত উকিল নির্ধারণের প্রচলিত প্রথাটিও বর্জনযোগ্য।
স্বদেশ প্রতিদিন/ নিয়াজ