প্রাইজবন্ড বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত ও বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের কাছে সঞ্চয়ের নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। সমাজের সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে সঞ্চয় প্রবণতা বৃদ্ধির জন্য ১৯৭৪ সালে ‘বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড’ নামে এই বন্ড চালু করে বাংলাদেশ সরকার। এটি যেকোনো সময় কেনা ও ভাঙানো যায়। মাত্র ১০০ টাকার প্রাইজবন্ড কিনে সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা জেতার সুযোগ থাকায় এটি অনেকের কাছে আকর্ষণীয় একটি বিনিয়োগ মাধ্যম।
আজ রবিবার (২ নভেম্বর) প্রাইজবন্ডের ১২১তম ড্র অনুষ্ঠিত হবে সকাল ১১টায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে। এবং আগামীকাল সোমবার (৩ নভেম্বর) দৈনিক পত্রিকায় ‘ড্র’র ফলাফল প্রকাশিত হবে।
উল্লেখ্য, প্রতিবছর ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই এবং ৩১ অক্টোবর ড্র অনুষ্ঠানের নির্ধারিত তারিখ। যদি নির্ধারিত দিনটি কোনো সরকারি ছুটির দিন হয়, তাহলে পরবর্তী কার্যদিবসে ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ৩১ জুলাই ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২০তম ‘ড্র’ অনুষ্ঠিত হয়।
এরআগে গত মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাইজবন্ডের ‘ড্র’ সিঙ্গেল কমন ড্র পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। প্রাইজবন্ডের প্রতি সিরিজে প্রতি ‘ড্র’-তে ছয় লাখ টাকার একটি, তিন লাখ ২৫ হাজার টাকার একটি, এক লাখ টাকার দুটি, ৫০ হাজার টাকার দুটি এবং ১০ হাজার টাকার ৪০টিসহ মোট ৪৬টি পুরস্কার রয়েছে।
জানা গেছে, ড্রয়ের নির্ধারিত তারিখ থেকে ৬০ দিন আগে (বিক্রির তারিখ ধরে এবং ড্রয়ের দিন বাদ দিয়ে) যেসব প্রাইজবন্ড বিক্রি হয়েছে, সেগুলোই সংশ্লিষ্ট ড্রয়ের আওতায় আসে। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১১৮ ধারার নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রাইজবন্ডে পুরস্কারপ্রাপ্ত অর্থের ওপর ২০ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হয়।
বর্তমানে মধ্যবিত্তদের সঞ্চয়ের অন্যতম স্মার্ট মাধ্যম প্রাইজবন্ড।