
সংগৃহীত ছবি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার ভেতরে সামরিক হামলা চালানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। যদিও দেশটির আশপাশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বেড়ে যাওয়ায় সম্প্রতি হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
ট্রাম্পের নির্দেশে ক্যারিবীয় অঞ্চলে একটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, একটি পারমাণবিক সাবমেরিন এবং কয়েক হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মার্কিন রণতরী ক্যারিবীয় এলাকায় পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) এয়ার ফোর্স ওয়ানে এক সাংবাদিক তাকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি ভেনেজুয়েলায় হামলার কথা বিবেচনা করছেন? জবাবে ট্রাম্প সংক্ষেপে বলেন, ‘না।’
এদিকে, মায়ামি হেরাল্ডের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন।
তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “যারা দাবি করছে তারা ‘পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত’, সেই তথাকথিত ‘সূত্রগুলো’ আসলে ভুয়া খবর ছড়াচ্ছে।”
এর আগে, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে সামরিক স্থাপনায় হামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং যেকোনো সময় এই হামলা হতে পারে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রিত মাদক পাচারকারী সংগঠনের ব্যবহৃত সামরিক স্থাপনাগুলো ধ্বংস করাই এই হামলার মূল লক্ষ্য।
মায়ামি হেরাল্ড আরও জানায়, লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আকাশপথে কয়েকদিন বা কয়েক ঘণ্টা ধরে হামলা চালানো হতে পারে। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ভেনেজুয়েলার মাদক চক্র বছরে প্রায় ৫০০ টন কোকেন ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করে।
সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মাদুরোর প্রশাসনের কয়েকজন জেনারেল এখন তাকে হস্তান্তর করতে ইচ্ছুক। এক সূত্র মন্তব্য করেছে, “তার (মাদুরোর) সময় শেষ হয়ে আসছে। তিনি হয়তো শিগগিরই দেখবেন, পালাতে চাইলেও দেশ ছাড়তে পারবেন না।”