| শিরোনাম: |

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় একজন নাগরিকের নামে নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা আরও কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে একজন ব্যক্তি তার জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি সিম নিবন্ধন করতে পারবেন।
এর আগে একজন নাগরিকের নামে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম ব্যবহারের অনুমতি ছিল, যা পরে কমিয়ে ১০টিতে আনা হয়। বিটিআরসির সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার তা আরও কমে পাঁচটিতে নামছে।
বিটিআরসির এক কর্মকর্তা জানান, সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের নতুন সিম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচটিতে সীমিত রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অনুমোদন পেলে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে এটি কার্যকর হবে।
গত ২৬ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, নির্বাচনের আগে ব্যক্তিগত পর্যায়ে সিম ব্যবহারের সংখ্যা কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য ভবিষ্যতে ব্যক্তিগত সিম ব্যবহারের সীমা আরও কমিয়ে দুটি পর্যন্ত আনা।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারী এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ৩১ অক্টোবরের পর একজনের এনআইডির বিপরীতে ১০টির বেশি সিম রাখা যাবে না। পরে ধাপে ধাপে সিম সংখ্যা আরও কমিয়ে আনা হবে।
বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ব্যবহৃত সিমের সংখ্যা ১৯ কোটির বেশি। অনিবন্ধিত সিম বা অন্যের নামে নিবন্ধিত সিম থেকে ভুয়া তথ্য ও গুজব ছড়ানোর ঝুঁকি থাকায় সিম ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ